নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের নানা কর্মসূচি থাকে প্রায় প্রতিদিনই। বুধবার (০৭ জানুয়ারি) দিনের শুরুতেই দেখে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু কর্মসূচির তালিকা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র কর্মসূচি:
সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় জিয়া পরিষদ আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বেলা ১১টায় ডিআরইউ শফিকুল কবির মিলনায়তনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচি:
সকাল ৯টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে রাজধানীর বসুন্ধরার কার্যালয়ে (টেনামেন্ট-৬, রোড-৬, ব্লক-ই) ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টার কর্মসূচি:
সকাল ১০টায় মোহাম্মদপুরের সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন বিভাগীয় সমাজ সেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে ঢাকা বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এতে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি:
দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘোষিত ৩ দফা দাবির পরবর্তী কর্মসূচি ও কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মাহদী হাসান এবং জুলাই কন্যা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর জামিন পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে।
আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চ:
বিকেল ৩টায় গুলশানের ফেলানী অ্যাভিনিউতে ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি, ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত ‘আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চ’-এ অংশগ্রহণ করবেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে ফেলানী হত্যার ন্যায়বিচার, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সব ধরনের আধিপত্যবাদবিরোধী অবস্থানের প্রতি পুনরায় জোরালো আহ্বান জানানো হবে।