ঢাকার কর্মজীবী নারীদের ওজন নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিক পুষ্টি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব

সময়ের চিত্র ডেস্ক:

ঢাকার কর্মব্যস্ত নগরজীবনে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় বসে কাজ, মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে অনেক কর্মজীবী নারী অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ওজন শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ফ্যাটি লিভার, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), জয়েন্টের ব্যথা এবং হৃদরোগের মতো বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত ওজন কমানোর আশায় অনেকেই “৭ দিনে ১০ কেজি” বা “প্রতিদিন ১ কেজি” ওজন কমানোর মতো অবাস্তব ও ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতির দিকে ঝুঁকে পড়েন। কিন্তু বয়স, জীবনযাপন, হরমোনজনিত অবস্থা, পূর্ববর্তী রোগ, ওষুধ সেবনের ইতিহাস এবং খাদ্যাভ্যাস বিবেচনা না করে ডায়েট করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মতে, টেকসইভাবে ওজন কমানোর জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক পুষ্টি পরিকল্পনাই সবচেয়ে কার্যকর। ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ, সুষম খাদ্য নির্বাচন, নিয়মিত অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন—এই চারটি বিষয় দীর্ঘমেয়াদে সফল ওজন নিয়ন্ত্রণের মূল ভিত্তি।

বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত ফলো-আপ, মোটিভেশনাল সাপোর্ট এবং প্রশিক্ষিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ ওজন নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এদিকে ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসে অবস্থিত ওয়েট লস ক্লিনিক SPED বৈজ্ঞানিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওজন ব্যবস্থাপনা সেবা দিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ক্লায়েন্টের পছন্দের খাবারকে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে পরিকল্পিতভাবে দেড় মাসে প্রায় ৫ কেজি, চার মাসে ১০ কেজি এবং ছয় মাসে ১৫ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানোর লক্ষ্যে তারা কাজ করে থাকে। এ সেবায় সার্টিফায়েড ডায়েটিশিয়ানদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মূল্যায়ন, ব্যক্তিগত খাদ্য পরিকল্পনা, একাধিক পরামর্শ সেশন, ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপের ব্যবহার, হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত মোটিভেশনাল সাপোর্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি ক্লায়েন্ট তাদের সেবা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া গুগলে ১০০টির বেশি রিভিউয়ের ভিত্তিতে তাদের গড় রেটিং ৪.৯ স্টার এবং ফেসবুকে অনুসরণকারীর সংখ্যা এক লাখেরও বেশি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দ্রুত ফলের চেয়ে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই যেকোনো ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি শুরু করার আগে একজন প্রশিক্ষিত ও যোগ্য পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

দ্রষ্টব্য: যেহেতু এটি একটি প্রচারণামূলক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করেছে, সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করলে ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটির দাবিগুলোকে “প্রতিষ্ঠানটির দাবি” হিসেবে উল্লেখ করা এবং প্রয়োজনে “স্পন্সরড” বা “প্রচারমূলক প্রতিবেদন” হিসেবে প্রকাশ করা উত্তম।

 

পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা, কনসালট্যান্ট, SPED

সিরিয়াল নম্বর: ০১৮৪৯৩৩৩৩৫৪, ০১৮৯৬৩৯৬১৯৭

SPED, এআই নান্নু টাওয়ার (AI Nannu Tower), হাউস-১১৫, ৩৪৪৯ শাগুফতা নিউ রোড (Shagufta New Rd), ১ নং গেট, মিরপুর ডিওএইচএস (Mirpur DOHS), ঢাকা-১২১৬।

এই বিভাগের আরো খবর