জার্মান প্রতিবেদক :
৫ই আগস্ট পরবর্তী কঠিন ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা কর্মীদের। দেশের অভ্যন্তরে যখন তৃণমূলের রাজনীতি এক চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি, ঠিক তখনই প্রবাস থেকে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে একনিষ্ঠ অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছেন জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর হক খান। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে তিনি প্রবাস থেকে দেশের তৃণমূল ও বিশেষ করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী নানাভাবে সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন। এই কঠিন সময়ে অনেক শীর্ষ বা প্রভাবশালী নেতা যখন আত্মগোপনে কিংবা নিষ্ক্রিয়, তখন দূর প্রবাসে থেকেও মিজানুর হক খান দেশের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। বিপদগ্রস্ত, অসহায় ও নির্যাতিত ছাত্রলীগ কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবং তাদের আইনি বা আর্থিক সংকট মোকাবিলায় তিনি প্রতিনিয়ত হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কর্মীরা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের জন্য মিজানুর হক খানের মতো নিবেদিতপ্রাণ ও সাহসী নেতৃত্বের বড্ড প্রয়োজন। যখন দেশের মাটিতে চেনা অভিভাবকের অভাব বোধ হচ্ছে, তখন জার্মানি থেকে তিনি যেভাবে পরম মমতায় কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসের নেতাদের প্রতি দেশের সংকটকালীন সময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর যে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন, জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তার এই মানবিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগের কারণে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যেও দেশের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর একটি ইতিবাচক তৎপরতা তৈরি হয়েছে।
রাজনীতি বিশ্লেষক ও দলের প্রবীণ কর্মীরা মনে করছেন, মিজানুর হক খানের মতো প্রবাসের দুঃসময়ের কাণ্ডারীরাই বর্তমান বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে আবার পুনর্গঠন করতে এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করছেন।