সময়ের চিত্র ডেস্ক:
শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবিকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পেছনে সীমান্তের ওপারে অবস্থানরত একটি মহলের ইন্ধন রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের শিল্পকারখানাগুলো শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র নয়, বরং লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষের জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন। গত পাঁচ দশকে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই কোনো শ্রমিক নিজের কর্মস্থল কিংবা জীবিকার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করতে চাইবেন না।
তিনি অভিযোগ করেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়টিকে কাজে লাগিয়ে একটি পক্ষ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের তৎপরতার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের স্বার্থের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে একটি মহল দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া সেই মহল এখন সীমান্তের ওপার থেকে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে তিনি দাবি করেন।
শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার সচেতন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি পর্যালোচনা ও নতুন মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড কার্যক্রমও শুরু করেছে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।