ভিসা বন্ডের আওতায় বাংলাদেশকে যুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র

সময়ের চিত্র ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা আর্থিক জামানত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ তালিকায় নতুন করে বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশের নাম যুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সাতটি দেশকে এই শর্তের আওতায় আনা হয়েছিল। সর্বশেষ মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

নির্ধারিত সর্বোচ্চ ভিসা বন্ডের পরিমাণ ১৫ হাজার ডলার। প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৩১ টাকা হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

কী এই ভিসা বন্ড

ভিসা বন্ড মূলত একটি আর্থিক নিশ্চয়তা। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিককে সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে এই জামানত গ্রহণ করে, যাতে তারা ভিসার শর্ত—বিশেষ করে অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে দেশ ত্যাগ—মেনে চলেন।

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মী অস্থায়ী বা নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসায় প্রবেশ করেন। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে।

অনুমোদিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলে সেটিকে ‘ভিসা ওভারস্টে’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

সাধারণত বেশির ভাগ দেশই ভিসা দেওয়ার আগে পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ চাইলেও ফেরতযোগ্য জামানত নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করেনি।

উল্লেখ্য, অতীতে নিউজিল্যান্ড ওভারস্টে নিয়ন্ত্রণে ভিসা বন্ড চালু করলেও পরে তা বাতিল করে। একইভাবে যুক্তরাজ্য ২০১৩ সালে কিছু উচ্চঝুঁকিপূর্ণ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড চালুর পরিকল্পনা নিলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর করেনি।

এই বিভাগের আরো খবর