প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট :
বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের ঘটনার ১০ দিন পর প্রধান আসামি মোছা. হাসনা বেগম (২৬) অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৫) রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় তার বড় ভাইয়ের ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তিনি সেখানেই লুকিয়ে ছিলেন।
চিতলমারী থানার ওসি রোকেয়া খানম জানান, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান নির্ণয় করা হয়। পরে তার নির্দেশনায় এসআই ফয়সাল আহম্মেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল র্যাবের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে হাসনা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে তাকে চিতলমারী থানায় আনা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়।
আদালতে প্রেরণের সময় তার সঙ্গে দুই অবুঝ নাবালিকা সন্তান ছিল, যাদের বয়স যথাক্রমে ১ বছর ও ২ বছর।
উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর ২০২৫ উপজেলার মহিলা কলেজ রোডের একটি ভাড়া বাসায় ঘুমন্ত স্বামী লিঠু ইসলামের গোপনাঙ্গ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে দেন স্ত্রী হাসনা বেগম। ঘটনার পর তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার চারদিন পর ১০ নভেম্বর ২০২৫ লিঠুর বড় ভাই হিরুন বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় মামলা (মামলা নং–০৭) দায়ের করেন, যেখানে হাসনা বেগমকে একমাত্র আসামি করা হয়।
ওসি রোকেয়া খানম বলেন, “তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটির পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”