সময়ের চিত্র ডেস্ক:
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বৃহস্পতিবার মারধরের শিকার হওয়া সালমা ইসলামকে গত বছরের জুলাই আন্দোলনের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করলে বিচারক তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৪২ বছরের সালমা ইসলাম আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা ও গৃহিণী। বৃহস্পতিবার ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পর কয়েকজন তাকে মারধর করে—এ দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ধানমন্ডি থানার পুলিশ জানায়,现场 উপস্থিত লোকজনই সালমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ধানমন্ডিতে এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সালমা ইসলামকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার দাবি, প্রাথমিক তদন্তে সালমার সংশ্লিষ্টতার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং কয়েকজন সাক্ষীও এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সালমার আইনজীবী আবুল হোসেন পাটওয়ারী বলেন, “যিনি নিজেই হামলার শিকার, তাকে উল্টো গত বছরের মামলায় আসামি করা হয়েছে—এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।”
উল্লেখিত মামলাটি গত বছরের ১ ডিসেম্বর দায়ের করা হয়। ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির আহত এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময় ধানমন্ডিতে সরকারি সমর্থিত সশস্ত্র ব্যক্তিদের গুলিতে তিনি আহত হন। মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৭ জনকে আসামি করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও পাওয়া সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই সালমা ইসলামকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।