চরফ্যাশন প্রতিনিধি॥
Special Program – Development (Agriculture)—এর আওতায় পল্লী কর্ম-সহাযক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর অর্থাযনে ও নিন্দেশনায দেশব্যাপী পালিত হয়েছে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। প্রান্তিক পর্যায়ে নিরাপদ দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ উৎপাদনে নারীদের অবদান উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নানা কর্মসূচি বাস্তবাযতি হয় “আসুন দুগ্ধজাত পণ্যের শক্তি উদযাপন করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চরফ্যাশন বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে নিরাপদ দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পুষ্টি বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) চরফ্যাশন এতিমখানায় ২০০ এতিম শিশুদেরকে দুধ খাওয়ানো হয় এবং দুগ্ধ পুষ্টি বিষয়ক কুইজ আয়োজন করা হয়।পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট (এগ্রিকালচার) প্রকল্পের আওতায় পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে।
ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জনাব মোঃ রাজন আলী । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) সিনিয়র প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী জনাব শংকর চন্দ্র দেবনাথ।এ সময় এতিমখানার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম, এফডিএ-এর মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন । তারা বলেন অনেক শিক্ষার্থী পুষ্টিকর, আদর্শ খাদ্য দুধ পান করতে পছন্দ করেন না। কিন্ত দুগ্ধজাত খাবার খেয়ে থাকেন। মূলত আদর্শ খাবার দুধের তৈরী মাঠা, আইচক্রিম, দই, ছানা, পনির, সন্দেস খাওয়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের অভ্যস্ত করতে গুরুত্বারোপ করা হয়। উল্লেখ্য প্রতি বছর জুন মাসে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে। বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাঠা পান করানো হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে নিরাপদ দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব এবং নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরিশেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি গজল গান পরিবেশন করেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময আদর্শ খাবার হিসেবে দুধের বিভিন্ন বিকল্প (যেমন- দই, ছানা, মাঠা) খাওযার অভ্যাসের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন এফডিএ-এর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা শাওন চন্দ্র শীল।