সময়ের চিত্র ডেস্ক:
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীন–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত ২ মার্চ দায়ের করা একটি রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেন।
এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট শুনানির জন্য ১ মার্চ দিন নির্ধারণ করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষ সময় চাইলে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হক–এর বেঞ্চ শুনানির নতুন তারিখ ধার্য করেন।
রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। তার আবেদনে বলা হয়, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা বিচারিক পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সনদের কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. দোলোয়ার হোসেন খান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে সময় চাওয়া হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে ঘোষিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর অধীনে গণভোট আয়োজন সংবিধানের ৬৫, ১২৩(৩)(৪) ও ৩১ অনুচ্ছেদ এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আইনের বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পর্যালোচনার বিষয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়। এর বৈধতা নিয়ে আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জ ওঠার পর বিষয়টি এখন বিচারাধীন।