নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভোলার দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ চরফ্যাশন উপজেলা । জাতীয় নিবাচনের পর এখন আলোচনার কেন্দ্রে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। স্থানীয়দের মুখে মুখে ঘুরছে একটাই প্রশ্ন—কে হবেন আগামী দিনের চেয়ারম্যান? উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি বড় অংশ সাবেক যুবনেতা আশরাফুর রহমান দিপু ফরাজী-কে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইতোমধ্যে উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ও সমর্থনের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাচনে , মূল্যায়ন করা হোক”সম্পূর্ণ পরীক্ষিত, সর্বোচ্চ ত্যাগী, কারানির্যাতিত, নিপীড়িত ও নির্বাসিত—তবুও আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত নন যিনি সে হলেন আশরাফুর রহমান দিপু ফরাজী।সে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, সাংগঠনিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর অঙ্গসংগঠন চরফ্যাশন উপজেলা যুবদল-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা আসে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সংগ্রাম, মামলা-হামলা, কারাবরণ—সবকিছু হাসিমুখে সহ্য করে প্রমাণ করেছেন, রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতার নয়, বরং আদর্শ ও ত্যাগের নাম। একজন সত্যিকারের দলপ্রেমী, পরিশ্রমী ও আপসহীন নেতার প্রতিচ্ছবি তিনি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে তার অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবেই কাজ করেছেন।
উপজেলার ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও তরুণ সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন,“আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি উন্নয়ন ও সেবাকে অগ্রাধিকার দেবেন আর আশরাফুর রহমান দিপু ফরাজী সেই যোগ্যতা রাখেন।”রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে দিপু ফরাজী ইতোমধ্যে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তিনি প্রার্থী হলে নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক সাড়া ফেলতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে তার প্রার্থিতা নিয়ে জানতে চাইলে আশরাফুর রহমান দিপু ফরাজী বলেন,
“আমরা জনগণের জন্যই রাজনীতি করি। দীর্ঘ ১৭ বছর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলকে আঁকড়ে ধরে রেখেছি। জনগণ যদি চান এবং দল থেকে সিদ্ধান্ত আসে, তাহলে অবশ্যই জনগণের হয়ে কাজ করব।”
সচেতন মহলের মতে, নব নির্বাচন সংসদের পাশে খেকে উপকূলীয় এই জনপদে অবকাঠামো উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সঠিক দিক নিদ্দেশনায় দিতে পারবে এমন অভিজ্ঞ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বই চরফ্যাশন উপজেলা নিবাচনে ভোটারদের কাছে অগ্রাধিকার পাবে ।
উল্লেখ্য, আসন্ন উপঝেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চরফ্যাশনের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—যোগ্য ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের মাধ্যমে উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।