প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা নাজমুল হকের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর:

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (গাসিক) রাজস্ব কর্মকর্তা নাজমুল হকের চাকরি, পদায়ন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রকাশিত সংবাদে তাঁর সম্পর্কে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিবর্জিত। একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর পেশাগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এসব তথ্য প্রচার করছে।

প্রতিবাদপত্রে নাজমুল হক জানান, তিনি টঙ্গী পৌরসভার লাইসেন্স কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তাঁর কর্মদক্ষতা ও সততা বিবেচনায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন। তাঁর চাকরি ও পদায়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য দাপ্তরিক নথি ও সার্ভিসবুকে যথাযথভাবে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে কোনাবাড়ী জোনে দায়িত্ব পালনকালে এক কর্মকর্তার সঙ্গে অসদাচরণ বা হাতাহাতির যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটিও তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ওই ঘটনা নিয়ে দাপ্তরিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। ফলে ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।

এ ছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা কিংবা মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বিশেষ মহলের সঙ্গে যোগাযোগের যে অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, তাও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নাজমুল হক। তিনি বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।

নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা নাজমুল হক বলেন, “আমার দীর্ঘ চাকরিজীবনে আমি নিয়ম, শৃঙ্খলা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। একটি কুচক্রী মহল আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। আমি এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।”

তিনি আরও বলেন, কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ করা হলে তাঁর পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি প্রকৃত তথ্য যাচাই করে ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রত্যাহার করে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন।

এই বিভাগের আরো খবর