শিশুদের ডায়াবেটিসঃ মূল কারন খাদ্যাভাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন

এমরানা আহমেদ:

তাসনিম (৭) ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এ বয়সেই তার জীবন ইনসুলিনের ওপর জীবন নির্ভরশীল হয়ে গেছে। হঠাৎ শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাবের লক্ষণ দেখে এক আত্মীয়ের পরামর্শে চিকিৎসকের শরানাপন্ন হন শিশুটির বাবা রোকন উদ্দিন। চিকিৎসক তার সন্তানের ডায়াবেটিস আছে কিনা, সেটা পরীক্ষা করাতে বলেন। পরীক্ষায় তাসনিমের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। মাইমুনার ৯ বছর বয়স থেকেই শরীরে ইনসুলিন তৈরি হচ্ছে না। তার বয়স এখন ১৩ বছর। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইমুনার মা শিল্পী আক্তার বলেন, ঘন ঘন প্রশ্রাব করতে যেতো, পর্যাপ্ত খাবার খেলেও তার ওজন কমে যাচ্ছিল। হঠাৎ একদিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে তার মেয়ে। বাচ্চার শরীরের অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতালে ভর্তি করলে রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে তার মেয়ে টাইপ-১ ডায়াবেটিস-এ আক্রান্ত। গত চার বছর ধরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ( মা ও শিশু)-এর তৃতীয় তলার বর্হিবিভাগে মেয়ে মাইমুনাকে নিয়ে নিয়মিত ফলোআপে আসে শিল্পী আক্তার। শিশুটির মা বলেন,‘আমার এবং বাকি চার ছেলেমেয়ে তাদের কারো এই রোগ নেই। কিভাবে যে মেয়েটি আমার আক্রান্ত হলো বুঝতে পারছি না।

বর্হিবিভাগে আরো কথা হয় আহমেদ মঞ্জু নামের আরো একজন অভিভাবকের সাথে,তিনি জানান, তার ৬ বছর বয়সী ছেলের জীবন এখন ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। কারণ সে টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত। রাফসানের বাবা জানান, ছেলের ঘন ঘন প্রস্রাবের লক্ষণ দেখে পরীক্ষা করালে তার এই রোগ ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ এখন শুধু বড়দের নয়, শিশুদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে।

বর্তমানে আমাদের দেশে তাসনিম, মাইমুনা, রাফসানের মতো অসংখ্য শিশু-কিশোর ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলেছে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা। আমাদের দেশেও শিশুদের এ রোগে আক্রান্তের হার ক্রমশ বাড়ছে। ডায়াবেটিস শুধু বড়দের হয় না, শিশুদেরও হয়। তাছাড়া বেশিরভাগ সময় বাবা-মায়েরা বুঝতেই পারেন না কখন থেকে তার শিশু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলো। চিকিৎসকরা বলছেন, বদলে যাওয়া জীবনযাপন ও খাদ্যাভাসই এর জন্য দায়ী।

সেগুনবাগিচার বারডেম মা ও শিশু হাসপাতালের রাইফ ফর এ চাইল্ড প্রোগ্রাম (এলএফএসি) এবং চেঞ্জিং ডায়াবেটিকস ইন চিলড্রেন প্রোগ্রামে (সিডিআইসি) এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার কামরুল হুদা বলেন, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস। বর্তমানে আমাদের এই হাসপাতালেই সাড়ে ৯ হাজারেরও বেশি রেজিষ্ট্রার ডায়াবেটিকস আক্রান্ত শিশু-কিশোর চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। প্রতিদিন নতুন ডায়াবেটিকস্‌ আক্রান্ত শিশু রোগী আসছে গড়ে ৭ থেকে ৮ জন। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক স সমিতির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসকরা বলছেন, শিশু-কিশোরদের নিয়মিত শরীরচর্চার অভাব, খেলাধুলার সুযোগ না থাকা, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে ইদানীং ওজন বাড়ার প্রবণতা অত্যধিক হারে বেড়েছে। বেড়েছে ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয় ও জাংক ফুডের প্রতি আসক্তি। সমানতালে কমছে খেলাধুলার বা কায়িক শ্রমের সুযোগ। কম্পিউটার বা টেলিভিশনের সামনে বসে সময় কাটানোর অভ্যাসও ওজন বাড়ার জন্য দায়ী।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির দেওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশে অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়াবেটিসের হার ৬ থেকে ১৪ শতাংশ। এ ছাড়া গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, প্রায় ৫০ শতাংশ। এ ছাড়া অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে শিশুদেরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ডায়াবেটিস চিকিৎসার জাতীয় নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। রোগটিতে ২০ থেকে ৮০ বছর বয়সী ১৪ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ভুগছেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে অষ্টম। বর্তমান ধারায় চলতে থাকলে ২০৪৫ সালে দেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা হবে ২ কোটি ২৩ লাখ।

বারডেম হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ সাবরিনা জসীম বলেন, শিশুদের টাইপ-১ ডায়াবেটিসের উপসর্গ দেখা দেয় তুলনামূলক কম বয়সে। আক্রান্ত শিশু দিন দিন শুকিয়ে যায়, ঘন ঘন প্রস্রাব করে আর দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে- এমনকি রক্তে শর্করা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় কিটোসিস হয়ে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস একটু বেশি বয়সের শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের দেখা যায়। যাদের ওজন বেশি, শরীরে অতিমাত্রায় মেদ, কায়িক পরিশ্রম করে না, তাদের এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে উভয় ক্ষেত্রেই কিছু জিনগত বৈশিষ্ট্য এ রোগ হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া বিভিন্ন হরমোনের অসামঞ্জস্যতা বা কিছু ওষুধের কারণেও ডায়াবেটিস হতে পারে। মেদবহুল, স্থূল শিশু, ঘাড়ের ত্বকে কালো দাগ, কিশোরীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকতে পারে। ডাঃ সাবরিনা জসীম আরো জানান, শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিসে আক্রান্তের প্রধান কারণ তিনটি।.বংশগত,গর্ভাবস্থায় মায়ের ডায়াবেটিস থাকা এবং. কম বয়সে ওজন বেড়ে যাওয়া। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতি ঝোঁক শিশুদের দৈহিক, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ কারণে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি বলে ধারণা করা হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সূত্রে জানা যায়, ডায়াবেটিস: এটি একটি অটোইমিউন রোগ যেখানে শরীর ইনসুলিন তৈরি করে না। এটি সাধারণত শিশু এবং তরুণদের মধ্যে দেখা যায়। টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন ইনসুলিন গ্রহণ করতে হয়। টাইপ-১ ডায়াবেটিস হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ইনসুলিন লাগবেই, ইনসুলিন তাদের জীবন, ইনসুলিন নিয়ে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। মুটিয়ে যাওয়ার কারণে শিশুরা এখন টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। এ সময় ৩০ বছরের আগে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হতো না, কিন্তু এখন ১৫-১৬ বছরেও টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে।’

বিশ্বে প্রতি এক লাখ শিশুর মধ্যে চারজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। টাইপ ওয়ান এবং টাইপ টু, দুই ধরনের ডায়াবেটিসই ধরা পড়ছে শিশুদের। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মূল কারণ শরীরে প্রাকৃতিক ভাবে ইনসুলিন তৈরি না হওয়া। কম বয়সেই এর উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্ত শিশু দিন দিন শুকিয়ে যায়। ঘন ঘন প্রস্রাব করে আর দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে কিটোসিসে আক্রান্ত হবার ঘটনাও ঘটছে। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে শরীরে ইনসুলিনের ক্ষমতা কমে যায়। যাদের ওজন ও শরীরে মেদ বেশি, কায়িক পরিশ্রম করে না, তাদের এটি হবার শঙ্কা বেশী। তবে দুই ধরনের ডায়াবেটিসেই জিনগত কিছু বৈশিষ্ট্যও এর জন্য দায়ী। বেশিরভাগ সময়ই বা আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের রোগ নির্ণয় হচ্ছে না। ডায়াবেটিস সাধারণত দুই ধরনের হয়, টাইপ-১ ও টাইপ-২। চিকিৎসকরা জানান, মূলত ৩০ বছরের কম বয়সীদের টাইপ-১ ডায়াবেটিস হয়। এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দেশে কম। তবে টাইপ-২ ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দেশে বেশি।

কীভাবে বুঝবেন

শিশু অতিমাত্রায় প্রস্রাব করে, নতুন করে বিছানায় প্রস্রাব করতে শুরু করে। পিপাসা ও ক্ষুধা বেড়ে যায়। পর্যাপ্ত খাবার খেলেও ওজন বাড়ে না বা দ্রুত ওজন কমতে থাকে। শরীর দুর্বল লাগে, দৈনন্দিন কর্মে আগ্রহ কমে যায়, ঘন ঘন সংক্রমণের শিকার হতে পারে। জটিলতা সৃষ্টি হলে শ্বাসকষ্ট, বমি, পেটে ব্যথা, খিঁচুনি ও পানিশূন্যতা দেখা দেয়-এমনকি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে, যাকে ‘ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস’ বলা হয়। দ্রুত চিকিৎসা না করালে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়।

তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে এসব উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। মেদবহুল, স্থূল শিশু, ঘাড়ের ত্বকে কালো দাগ, কিশোরীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন

১. অতিরিক্ত তৃষ্ণা  :

শিশুর বার বার পানির তৃষ্ণা পাওয়ায় কিন্তু ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এর কারণে জিহ্বায় লালার পরিমাণ কমে যায়। সে কারণে গলা শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যাও হয়। ডায়াবেটিসের মাত্রা অনেক বেড়ে গেলে থাকলে তা থেকে গলায় জ্বালা, আলসার, সংক্রমণ পর্যন্ত হতে পারে।

. ঝাপসা দৃষ্টি:

শিশুর দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় কিন্তু হেলাফেলার বিষয় নয়। কেবল টিভি দেখার বা মোবাইল চালানোর কারণে শিশুর চোখে ঝাপসা নাও হতে পারে। ডায়াবেটিক রোগীদেরও চোখের সমস্যা হতে পারে। সুতরাং শিশু চোখে ঝাপসা দেখলেই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

শিশুর বিষণ্নতা কীভাবে বুঝবেন? লক্ষণ ও উপসর্গ কী?শিশুর বিষণ্নতা কীভাবে বুঝবেন? লক্ষণ ও উপসর্গ কী?

৩. মাড়ি থেকে রক্তপাত:

শিশুর ডায়াবেটিস থাকলে কিন্তু মাড়িতে প্রদাহ হয় এবং মাড়ি থেকে রক্তপাত হয়। শিশুর মুখের ভিতরের অংশ, জিভে মাঝে মাঝেই ঘা হলে বা জ্বালা করলে বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না। ডায়াবেটিসের কারণে এমন হতে পারে।

৪. বার বার প্রসাব:

বার বার প্রস্রাব করাও কিন্তু ডায়াবেটিসের লক্ষণ। সন্তান যদি বার বার বাথরুমে যায়, তা হলে বুঝতে হবে তার রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়েছে।

৫. শরীরে র‍্যাশ:

শিশুর শরীরে মাঝেমধ্যেই র‌্যাশ বেরোচ্ছে? গা-হাত-পায়ে কালো ছোপ পড়ছে? তা হলে কিন্তু সতর্ক হতে হবে। খুব দ্রুত চিকিৎসকের কাছে শিশুকে নিয়ে যেতে হবে।

৬. ওজন কমা:

ওজন কমে যাওয়া কিন্তু ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। শিশুর ডায়াবেটিস থাকলে পর্যাপ্ত খাবার খেলেও শিশুর ওজন বাড়ে না বা দ্রুত ওজন কমতে থাকে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন বাচ্চার ডায়াবেটিস হয়েছে

২. রুটিন চেক-আপ:

নিয়মিত শিশু পরীক্ষার মধ্যে ডায়াবেটিস সম্পর্কে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, বিশেষ করে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য, যেমন যাদের পারিবারিকভাবে এই রোগের ইতিহাস রয়েছে বা যাদের ওজন বেশি তাদের জন্য। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের এই পরিদর্শনের সময় নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করা উচিত যাতে সম্ভাব্য সমস্যাগুলি প্রাথমিকভাবে ধরা পড়ে।

চিকিৎসা:

সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের চিকিৎসা মূলত শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন ইনজেকশন।

টাইপ-২ ডায়াবেটিস ইনসুলিন ছাড়াও ১০ বছরের বেশি বয়স হলে খাওয়ার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। উভয় ক্ষেত্রে ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যতালিকা মেনে চলা ও বয়স অনুযায়ী কায়িক পরিশ্রম অপরিহার্য।

প্রতিরোধ:

টাইপ-১ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে আগে থেকে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, দৈনন্দিন কায়িক পরিশ্রম ও নিয়ন্ত্রিত জীবন চালনার অভ্যাস রপ্ত করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে টাইপ-২ ডায়াবেটিস অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

যদি শিশু স্থূল হয়, সঙ্গে পারিবারিক ইতিহাসসহ অন্যান্য ঝুঁকি থাকে, তবে উপসর্গ ছাড়াই শিশুর নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করা উচিত।

এই বিভাগের আরো খবর