মোকাম্মেল হক মিলন, ভোলা।। মা ইলিশ রক্ষা করতে সরকারের নিষেধাজ্ঞা শেষে পক্ষকাল নদীত দুই লাখ টন ইলিশ আহরণে মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে ভোলার জেলেরা উৎপাদনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য মাত্রা পৌঁছাতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নদীতে ইলিশ ধরা শেষ মৌসুমে নদীতে ইলিশ মিলছে আশানুরূপ। অবরোধের শেষ হয়েছে পনের দিনের মতো। বর্তমানে মাছ ঘাট আড়ৎ ও বাজার গুলোতে ইলিশের উৎপাদনে বেচাকেনা সরগরম। বাজারে চলছে ইংলিশ বেচাকেনার ধুম। জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ছোট মাঝারি ও বড় সাইজের ইলিশ।দাম অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় কিছুটা কম আর গরীব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ কিনতে পারছেন। অপরদিকে জেলেরা জানান নদীতে জলদস্যু বাহিনীর হাতে জেলেরা ভয়ে ভয়ে মাছ ধরার নামছে। আশ্বস্ত করে জানান কোষ্টগার্ড ও নৌবাহিনীর অভিযান চালিয়ে জলদস্যুদের ধড়পাকড় শুরু করার ফলে মাছ আহরণের পর নিশ্চিতে মাছের ঘাটে পৌঁছে বেচাকেনা করতে পারছে। সর্বোপরি বলতে পারি ইলিশের গোলা সহ ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। এতে করে ইলিশ ধরার মাছ ঘাটে উৎসবে মেতে উঠেছে জেলেরা ও আড়তদার গণ। এত কিছুর পরও জেলেদের অভিযোগ দাদনের ফাঁদ থেকে বেরুতে না পারলে জেলেদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হবে না এবং নিষেধাজ্ঞা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগই প্রকৃত জেলেরা সুবিধা বঞ্চিত থাকছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কোষ্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ভোলা মৎস্য কর্মকর্তা, কোষ্টগার্ড অফিসার সহ মিডিয়া কর্মীদের ও জেলে আড়তদার এবং মৎস্য চাষী নিয়ে সেমিনারে উঠে এসেছে ভোলা জেলায় নিবন্ধনকৃত জেলেদের সংখ্যা দেড় লাখ জেলে আর অনিবন্ধিত জেলে রয়েছে দুই লাখ জেলেরা। আবার নিবন্ধনকৃত জেলেদের মধ্যে ও অনেক জেলে নেই। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার ও রাজনৈতিক দলের স্বজন প্রীতি। ফলে প্রকৃত জেলেরা সুবিধা বঞ্চিত থাকছেই। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দিতে হবে।
এই বিভাগের আরো খবর