১ জুলাই নবম পে-স্কেল কার্যকর, এক ধাপে শতভাগ বেতন বৃদ্ধির দাবি

জাহিদ হাসান :

দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সংগঠনের ধারাবাহিক দাবির প্রেক্ষিতে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নবম পে-স্কেল কার্যকরের ঘোষণায় সরকারপ্রধান ও সরকারের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি (বিজিওইডব্লিউএ) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

 

শুক্রবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১১ বছর অতিবাহিত হলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবম পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এ সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস এবং পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মচারীদের নানা সমস্যার কারণে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০২০ সালে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় অনেক কর্মচারী বেতনের সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। নিম্নগ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের অনেকে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

নেতৃবৃন্দ বলেন, অতীতের কোনো পে-স্কেলই দুই ধাপের বেশি সময় নিয়ে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হয়নি। তাই ২০২৬ সালের নবম পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের আলোচনা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলে বিভিন্ন ভাতা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, তবে শতভাগ মূল বেতন এক ধাপেই কার্যকর করতে হবে।

 

একই সঙ্গে ২০১৫ সালে রহিত তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, শতভাগ পেনশন উত্তোলনের সুযোগ, পেনশন গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি এবং টিফিন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতা সময়োপযোগী হারে বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম, আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শিমুল আহম্মেদ, বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য সচিব মো. হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ কাস্টমস সমিতির সহ-সভাপতি মো. সালেক খান, পটুয়াখালী জেলা সমিতির সভাপতি মুন্সি শাহাবুদ্দীন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ শাখা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির সভাপতি জুরেল হোসেন এবং টেকনিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন ব্যুরোর সভাপতি এস. এম. শাহিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর