স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত আবেদন করেছেন এক ব্যক্তি।
অভিযোগকারী মোঃ জাহিদুল ইসলাম গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এই আবেদন জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, অভিযুক্ত মোঃ মোখলেছুর রহমান ওসমানী মেডিকেল কলেজে কর্মরত। তিনি কখনো নিজেকে ডাক্তার, কখনো প্যাথলজিস্ট, আবার কখনো ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু মোখলেছুর রহমান, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রক্ত সঞ্চালন ল্যাবের প্রধান কর্মকর্তা।
অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, মোখলেছুর রহমানের ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে একাধিক বহুতল ভবন, জমি ও টিনশেড স্থাপনা রয়েছে। এছাড়া পাবনায় কৃষি জমি এবং সিলেটে কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার থাকার কথা বলা হয়েছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য, এসব সম্পদ তার সরকারি আয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৮৯ বিধি ১৮ মোতাবেক কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আর্থিক অন্য কোন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে কোনভাবে ইনভোল্ব থাকতে পারবেনা। যদি প্রমাণ মিলে তাহলে তার শাস্তি চাকরি হতে অব্যাহতিসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক বিধান রয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগপত্রটি তাদের হাতে এসেছে। তবে এ বিষয়ে তদন্ত শুর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এ ব্যাপারে মোঃ মোখলেছুর রহমান বলেন, আমি মেডিকেলে একটা পর্যন্ত কাজ করি। পরবর্তীতে বিকেলে আমি অন্যান্য প্রাইভেট ক্লিনিকে হাসপাতালে সময় দেই। আমি দুটি প্রতিষ্ঠানের ডাইরেক্টর। সেখান থেকে আমি অনেক টাকা পাই। আমি বাড়িঘর যা কিছু করেছি আমার হালাল টাকায়। আমি কোন দুর্নীতি করিনি। সরকারি প্রতিষ্ঠানে থেকে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের চাকরি করা কোন সমস্যা নাই। এই দেশে অনেক কিছু সম্ভব। আমি একটার পরে তো ফ্রি থাকি বিকালে কাজ করতে সমস্যা কি এখানে সরকারের কোন সমস্যা নাই । আমি দুইটা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তাতেও কোন সমস্যা নাই । আর আপনারা নিউজ করলে করেন তাতেও আমার কোন সমস্যা নাই।
অন্তত আর কোন কিছু বলেন নাই তো বলছেন যে যে আপনার নিউজ করেন এ ব্যাপারে জানতে সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজের পরিচালককে একাধিকবার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।