বিনোদন প্রতিবেদক:
সমাজ সচেতনায় বাস্তবভিত্তিক গল্পে নির্মিত সিনেমা ‘অন্ধকারে আলো’ এখন মুক্তির অপেক্ষায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ছবিটি আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে এখনও পোস্টার ও ট্রেলার সেন্সরে রয়েছে। অনুমোদন মিললেই আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর মগবাজারের বাচসাস কার্যালয়ে ‘অন্ধকারে আলো’ সিনেমার নাবাগত জুটি রাকিব ও মুসকানের পরিচিতি সভায় সিনেমার পরিচালক আনোয়ার সিরাজী এসব কথা বলেন। এসময় সিনেমাটির প্রযোজক মীর লিয়াকত আলী উপস্থিত ছিলেন।
সিনেমাটিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাকিব ও মুসকান। এছাড়াও অভিনয় করেছেন ফরহাদ, রেবেকা, জ্যাকি আলমগীর, ফিরোজ আলম, আনোয়ার সিরাজী, ববি, রেজা হাসমত, অলকা সরকার, তিথী, সানু প্রমুখ।
গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আবু বকর সিদ্দিক, অর্জুন কুমার বিশ্বাস, সাজু আহমেদ ও রেহেনা আক্তার জ্যোতি।
ছবিটির প্রযোজক ও কাহিনীকার মীর লিয়াকত আলী। পরিচালনা করেছেন আনোয়ার সিরাজী। এটি আকাশজমিন প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে।
কাহিনী সংক্ষেপ:
অন্ধকার গ্রামে বেড়ে ওঠা ধীকৃত যুবক কুতুব আলীর জীবনের করুণ বাস্তবতা উঠে এসেছে ছবির গল্পে। চরিত্রহীন বাবা, পারিবারিক অশান্তি, বারবার মেট্রিক পরীক্ষায় ব্যর্থতা ও প্রেমে ব্যর্থতার কারণে সমাজের অবহেলায় সে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আবুল চাচার কারণে ব্যর্থ হয়ে ঢাকায় চলে আসে কুতুব। সেখানেও প্রথমে ছিনতাইয়ের শিকার হয়।
পরে এক জনপ্রিয় পত্রিকার সম্পাদক তাকে আশ্রয় দেন এবং কাজ দেন গাড়ি ধোয়ার। ভালো পরিবেশে থেকে কুতুব আলী নিজের জীবন পাল্টে ফেলে—শিক্ষায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে, পত্রিকার সম্পাদক হয় এবং সম্পাদক কন্যাকে বিয়ে করে। গোপনে নিজ গ্রামে একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, যা অন্ধকার সমাজকে আলোর পথে নিয়ে আসে।
দীর্ঘ ২৪ বছর পর সেই স্কুলের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হন কুতুব আলী। অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে বাবার সঙ্গে তার পুনর্মিলন ঘটে, তবে ছেলের বুকেই বাবার মৃত্যু হয়।
এই হৃদয়বিদারক ও অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘অন্ধকারে আলো’ সিনেমা।