নিজস্ব প্রতিবেদক:
আগামীকাল বৃহস্পতিবার আবারও সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থেকে সরে গেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনের সমন্বয়কারী নাইম হাসান বলেন, সাত কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা ও আলোচনা হলেও এখনো এ বিষয়ে কোনো অধ্যাদেশ জারি হয়নি।
তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। তবে সরকার দ্রুত অধ্যাদেশ জারি না করায় বাধ্য হয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সীমিত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
নাইম হাসান আরও বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে সায়েন্সল্যাব, তাঁতীবাজার ও টেকনিক্যাল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে অসহযোগ আন্দোলনের দিকেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম বলেন, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করে আসছেন। ২০১৭ সালে যথাযথ বিশ্লেষণ ছাড়াই কলেজগুলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়, যার ফল হিসেবে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করে সংকট নিরসন করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে বুধবার দুপুরে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে প্রথমে তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে টেকনিক্যাল ও সায়েন্সল্যাব মোড়েও অবস্থান নেন আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন অংশ।
অন্যদিকে, সাকিব হত্যার বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে তেজগাঁও থানা ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে ফার্মগেট এলাকায় চলমান অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।