1

ফারইস্ট ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান কারাগারে

সময়ের চিত্র ডেস্ক:

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদার আদালত আসামির রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

এর আগে, এদিন দুপুরে চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নজরুলকে ফের ৮ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। এসময় আসামি নজরুল ইসলামের পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম নজরুল ইসলামের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, ‘প্রাইম এশিয়া ফাউন্ডেশন’ ও ‘পিএফআই প্রোপার্টিজ লিমিটেড’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৭০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ভেঙে দেওয়া পরিচালনা পর্ষদ। ১৫৮তম পর্ষদ সভার ভুয়া সারসংক্ষেপ তৈরি করে সেটির বরাত দিয়ে এই পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামসহ ৯ শীর্ষ কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে এই অর্থ হাতিয়ে নেন। এই অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।




বিদেশমুখী বাংলাদেশীরা কিন্তু কেনো???

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
মাস্ক ও আমি— এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি।আমরা বাংলাদেশী।তাই আমার ও আমাদের চোখ বন্ধ করে আমাদের বাংলাদেশ কে ভালোবাসা উচিৎ। কিন্তু এই আমিই যদি মনের অজান্তেই বিদেশে যাবার পরিকল্পনা করি বা আমরা বেশির ভাগ মানুষই মনে মনে বলি বিদেশে যারা আছে জান্নাত এ আছে/ JUST LIKE A HEAVEN এ আছে। তাহলে কি Proved হয়- Either Bangladesh is worst place or Foreign countries r Dream place FOR all of us..কিন্তু আমি ভালো ইতিহাসের student না হলেও বলতে পারি বৃটিশরা ২০০ বছর আমাদের এই পাক- ভারত উপমহাদেশ কি কোনো কারন ছাড়াই শোসন করতে এসেছিলো???সেই শোষনের Result এখন বৃটিশরা ভোগ করছে এবং কিয়ামত অবধি ভোগ করে যাবে।AMERICA সবার Dream.কিন্ত তাদের পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষন করে যেটা দেখা যায় আয়নার মতো পরিষ্কার বিগত ৩২ বছর ধরে Middle East countries and also Muslim countries এ রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে সেইসব দেশ থেকে ১০০% সুযোগ নিচ্ছে।যুদ্ধ নামক একটা ভয়াবহ বিষাক্ত পরিবেশ তৈরি করে অস্ত্র সরবরাহ করে নিজেরা উন্নত থেকে আরো অনেক বেশি উন্নত, সভ্য,১০০% শিক্ষিত ও Super Dream country তে পরিনত হচ্ছে। আমি বা আমরা সবাই সত্যিই খুব বেশি অসহায়।We have nothing To Do. মাস্ক করোনার আগে ১% মানুষ হয়তো পড়তো।তাদেরকে আমরা ভাবতাম হয়তো বা পাগল নয়তোবা শুচিবায়ু৷ বা Over Health concern.কিন্তু করোনার পরে যেটা হলো এখন ১% থেকে ৫%-১০% মানুষ মাস্ক পড়ে। তার মধ্যে আমিও আছি।মাস্ক না পড়লে কেমন জানি নিজেকে অপরাধী অপরাধী লাগে।মাস্ক পড়ার কিছু সুবিধা আছে যেটা আগেও ছিলো, এখোনো আছে, থাকবেও।মাস্ক পড়ার বিশেষ একটা সুবিধা নারী,পুরুষ সবারই মুখের একটা পর্দা দেওয়া হয়ে যায়। আল্লাহ তা আলা এটাই চান বিধায় আমরা মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধেই মাস্ক পড়ছি।Prothom Alo newspaper এ একটা Add T.V + Paper এ দিতো।একজন মানুষ বাংলাদেশের বদনাম সমানে করেই যাচ্ছে।ঠিক তখনই আরেকজন মানুষ বলছে এই মিয়া আপনি আমার মা’কে ভালবাসেন কিনা? উত্তর হ্যা।ঠিক তখনই পরের জন বলছে দেশটা মায়ের মতো না!!!!!আমার school LIFE এর বন্ধু যে কিনা তাবলীগ এর একজন একনিষ্ঠ সমর্থক. হটাৎ করেই AMERICA এই বুড়ো বয়সে যাওয়ার চেষ্টা করছে।আরেক তাবলীগ বন্ধুও AMERICA তে settled হয়ে গিয়েছে। এলোমেলো অনেক কথা মাথায় ঘুরপাক খায়।আর বাড়াবোনা।।Nobody is100% perfect and No country is 100% Dreamfull..আসুন নিজেকে নিজে বদলাই,দেখবেন একদিন বাংলাদেশটাও অনেক বেশি সুন্দর একটা দেশে পরিনত হয়ে গিয়েছে।। সেই আশাবাদী।

 




কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর পুলিশ লাইন্স শহীদ আর.আই এ.বি.এম আব্দুল হালিম মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান। তিনি কল্যাণ সভায় উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন।

একই দিনে জেলা পুলিশ কুমিল্লার আয়োজনে পুলিশ লাইন্স শহীদ আর.আই.এ.বি.এম আব্দুল হালিম মিলনায়তনে মাসিক অপরাধ সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলায় বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের ভাল কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ বিভিন্ন পদ মর্যদার পুলিশ অফিসারকে সনদপত্র ও ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান।

মাসিক অপরাধ সভায় আগস্ট মাসের তুলনামূলক অপরাধ পরিসংখ্যান, মাদকদ্রব্য চোরাচালন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা সংক্রান্তে তথ্য, মানব পাচার/অপহরণ মামলার তথ্য, তদন্তাধীন অপমৃত্যু মামলার বিবরণীসহ আগস্ট মাসের রুজুকৃত, তদন্ত ও অনিষ্পত্তিকৃত মামলার বিবরণী ও গত মাস পর্যন্ত মুলতবী মামলার বিবরনীসহ বে-আইনী মোটরযান আটক এবং আটককৃত মোটরযানের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।




ফের কালো ডিম পেড়েছে আলোচিত সেই পাতিহাঁস

 চরফ্যাশন প্রতিনিধি।।

দেশি পাতি হাঁসের কালো ডিম পাড়া নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি রূপকথার মতো অবাক হলেও সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডস্থ দাস কান্দি গ্রামে।

হাঁসের কালো ডিম দেখতে গৃহস্থের বাড়িতে মানুষের ভিড় জমেছে। দুই দিন ধরে আশেপাশের এলাকার শত শত মানুষ ভিড় করছেন হাঁসের মালিক তাসলিমা বেগমের বাড়িতে। হাঁসটি কালো ডিম দিচ্ছে- এ খবরে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার পর পর দুই দিন কালো ডিম দেয় হাঁসটি।

গৃহবধূ তাসলিমার স্বামী আবদুল মতিন জানান, বুধবার সকালে হাঁস ছাড়তে গিয়ে ওই কালো রঙের ডিমটি দেখতে পান। বৃহস্পতিবার সকালে আরও একটি কালো ডিম দেয় হাঁসটি। খবর পেয়ে সাংবাদিক ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা ডিম দেখতে আসেছেন।

হাঁসের মালিক গৃহবধূ তাছলিমা বেগম সমকালকে জানান, আট মাস আগে প্রতিবেশীর কাছ থেকে ২১টি ছোট হাঁসের বাচ্চা কিনে আনেন তিনি। কাক, চিল, শিয়ালে নেওয়ার পর এবং রোগে ভুগে মারা যাওয়ার পর ১১টি হাঁস টিকে আছে। এর মধ্যে একটি হাঁস বুধবার সকালে একটি কালো ডিম দেয়। ডিমটি কালো দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যান। আজকেও কালো ডিম পেড়েছে হাঁসটি। তবে আগের দিনের থেকে একটু কম কালচে।

চরফ্যাশন উপজেলার উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান  জানান, বুধবার সকালে কালো ডিমের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ওই বাড়িতে গিয়ে সত্যতা পেয়েছি। বৃহস্পতিবার আরও একটি কালো ডিম দিয়েছে হাঁসটি। তবে প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনের ডিমের কালো রঙ কিছুটা কম। বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে হাঁসটি ডিম দিতে থাকলে পরীক্ষা- নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল বলেন, দেশি হাঁসের কালো ডিম দেওয়া এই প্রথম। জিংডিং জাতের এক প্রকার হাঁস হালকা নীল রঙের ডিম দেয়। কিন্তু কোনো দেশি হাঁস কালো ডিম দেয়, এটা এই প্রথম।

তিনি আরও বলেন, ভারতীয় ব্রিডের কাদারনাথ বা কালো মাসি জাতের মুরগী কালো ডিম দেয়, যার মাংসও কালো। তবে দেশি হাঁস কালো ডিম দেওয়ার নেপথ্যে জরায়ুর কোনো সমস্যা হতে পারে। সাধারণত হাঁসের জরায়ুতে ডিমের খোসাটি ১৯ ঘণ্টা থাকে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অস্বাভাবিক ডিম। পরীক্ষাগারে পাঠনো হলে এর আসল কারণ জানা যাবে।




বাংলাদেশে বিপুল মার্কিন বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সময়ের চিত্র ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্ক সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল এবং ফার্মাসিউটিক্যালসসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ তাদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রদানের প্রস্তাব দিতে পেরে সন্তুষ্ট। বাসস

তিনি বলেন, ‘আমি মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল, ওষুধ, ভারী যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক সার, আইসিটি, সামুদ্রিক সম্পদ, জাহাজ নির্মাণ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরিতে বিনিয়োগের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে চাই।’

এখানে তাঁর অবস্থানস্থলের হোটেলে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আয়োজিত উচ্চ-স্তরের পলিসি গোলটেবিলে ভাষণদান কালে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উদার বিনিয়োগ নীতি রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিদেশী বিনিয়োগ সুরক্ষা, কর অবকাশ, রয়্যালটির রেমিটেন্স, অনিয়ন্ত্রিত প্রস্থান নীতি এবং পুরোপুরি প্রস্থানের সময় লভ্যাংশ ও মূলধন নিয়ে যাওয়ার সুবিধা।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ১শ’টি ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) এবং বেশ কয়েকটি হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ৬ লাখেরও বেশি ফ্রি-ল্যান্সিং আইটি পেশাদার রয়েছে, ফলে, বাংলাদেশ আইটি বিনিয়োগের জন্য সঠিক গন্তব্য।

তিনি বলেন, ‘তাছাড়া, প্রতিযোগিতামূলক মজুরিতে দক্ষ মানবসম্পদ বাংলাদেশে একটি অতিরিক্ত সুবিধা। এমনকি যদি প্রয়োজন হয়, আমরা মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ডেডিকেটেড ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের’ প্রস্তাব করতে পরলে খুশী হব।’

তিনি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক সংযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অগ্রগামী এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ার অভূতপূর্ব সম্ভাবনা প্রদান করেছে।
‘ভারত, চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ ৪ বিলিয়ন মানুষের সম্মিলিত বাজারের মাঝখানে রয়েছে,’ তিনি বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতাদের সমাবেশে বলেন।

প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন হচ্ছে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবে, বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক, তৃতীয় বৃহত্তম সবজি উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে, ৪র্থ বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী এবং বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ মৎস্য উৎপাদনকারী হয়েছে।

‘বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে তার প্রতিবেশী দেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক কূটনীতি চালিয়ে যাবে। আমরা ক্রমাগত আমাদের ভৌত, আইনি এবং আর্থিক অবকাঠামো উন্নত করছি এবং দেশে যোগাযোগ উন্নত করছি,’ তিনি বলেন।

তিনি বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতুর সমাপ্তি অভ্যন্তরীণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ উভয়ই উন্নত করেছে, যেখানে ঢাকা মেট্রো-রেল প্রকল্পটি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দ্রুত অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা যোগ করবে।

বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে এলডিসি মর্যাদা থেকে স্নাতক হতে চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং রপ্তানি বাস্কেট বাড়ানোর জন্য তাদের পর্যাপ্ত সহায়তা প্রয়োজন।

‘আমি নিশ্চিত যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চ্যালেঞ্জিং প্রচেষ্টায় আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার হতে পারে,’ তিনি বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার দেশে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে। আইএলও রোডম্যাপ উদ্যোগ মোকাবেলা করার জন্য কর্মের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এবং সময়রেখা প্রদান করে এবং শ্রম খাতে প্রতিকারের পরামর্শ দেয়।

তাঁর সরকার এই সেক্টরে ক্রমাগত উন্নতির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে পর্যাপ্তভাবে নিযুক্ত রয়েছে। মার্কিন সরকার শ্রম ইস্যুতে ৩+৫+১ প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে প্রতিনিধিত্ব করছে, তিনি বলেন।

তদুপরি, তিনি বলেন যে ২য় উচ্চ স্তরের অর্থনৈতিক পরামর্শের ফলোআপ সিদ্ধান্ত হিসাবে একটি ‘সরকার থেকে সরকা’’ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন এই দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
প্রধানমন্ত্রী ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিটি সাফল্য কামনা করেন এবং আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করেন যে এটি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে, বলেন, ‘আসুন আমরা আবারও একটি টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য পারস্পরিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশীদারিত্বের জন্য আমাদের হাত মেলাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, এ বছর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সামরিক-সামরিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসহ বিস্তৃত বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এর ব্যাপক সম্পৃক্ততা রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের প্রসারের মাধ্যমে পারস্পরিক সমৃদ্ধিতে দুদেশের  অভিন্ন লক্ষ্যগুলো প্রতিধ্বনিত হয়েছে, তিনি বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২১-২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল প্রায় ১০ দশমিক ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ছিল প্রায় ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ একটি শোষণমুক্ত সমাজ এবং পূর্ণ অর্থনৈতিক মুক্তি পাবে, তিনি আরও বলেন, ‘আমার সরকার বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশ গত ১৩ বছরে বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, পুষ্টি, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা এবং আইসিটি ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী সরকারের ধারাবাহিকতা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ এবং নারীর ক্ষমতায়নকে সাফল্যের চাবিকাঠি বলে উল্লেখ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশকে একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তরিত করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ হাতে নিয়েছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করে সবুজ সমৃৃদ্ধির জন্য একটি কৌশলগত রোডম্যাপ।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বকে একটি স্থিতিস্থাপক বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখিয়েছে। একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও, সরকার কর্তৃক গৃহীত প্রাথমিক এবং কার্যকর পদক্ষেপের কারণে মহামারী চলাকালীন মৃত্যুর হার খুবই কম ছিল। তিনি আনন্দের সঙ্গে জানান যে, বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রার জনসংখ্যার ১০২% (১২১ মিলিয়ন) কমপক্ষে দ’ুটি ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পেয়েছে। এইভাবে, আমাদের অর্থনীতি মহামারী মোকাবেলায় দুর্দান্ত স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে, তিনি বলেন।

কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৭৫ মিলিয়নেরও বেশি কোভিড-১৯ টিকা অনুদান প্রদান করায় তিনি মার্কিন সরকারের আন্তরিক প্রশংসা করেন।




হাফেজ তাকরীমকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হবে সোমবার

সময়ের চিত্র ডেস্ক:

আগামী সোমবার মিরপুরে গোলারটেক মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীমকে সংবর্ধনা হবে বলে জানিয়েছে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামি মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আমাদের নতুন সময়কে বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের শিক্ষক সামসুদ্দিন।

তিনি বলেন, মাদ্রাসার পক্ষ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর (সোমবার) তাকরীমকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তবে ঔদিন কোন সময়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুরু হবে আমরা সে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি। এ বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকদের একটা মিটিং হবে তারপর আমরা অনুষ্ঠান শুরুর সময়টা সবাইকে জানিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।

সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ৪২তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ফিরেছেন হাফেজ তাকরীম। প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করা এই হাফেজকে বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

রাত প্রায় দুইটা দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি। এ সময় বিমানবন্দরে হাফেজ তাকরীমকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এছাড়া বিমানবন্দরের সম্মুখ রাস্তায় হাফেজ তাকরীমকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যানার হাতে জড়ো হন হাজারও মানুষ।

বিশ্বের ১১১টি দেশের ১৫৩ জন হাফেজ এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশি এই হাফেজ। এসময় তাকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেয়া হয়।




বাবর ও রিজওয়ানের তান্ডবে ইংল্যান্ডকে ১০ উইকেটে হারাল পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক:

করাচিতে সাত ম্যাচ টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় খেলায় ইংল্যান্ডকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা এনেছে স্বাগতিক পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্য টপকে যায় স্বাগতিকরা। এর আগে সিরিজের প্রথম খেলায় স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়েছিল ইংলিশরা।

এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে ইংল্যান্ড। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে শাহনেওয়াজ দাহানির জোড়া উইকেট শিকারে কিছুটা চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। দলীয় ৪২ রানেই আলেক্স হেলস ও ডেভিড মিলারের উইকেট হারায় সফরকারীরা। দলীয় ৯৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মঈন আলীর দল। ২৭ বলে ৩০ রান করেন পিটার সল্ট। পরে বেন ডাকেটের ২২ বলে ৪৩, হ্যারি ব্রুকের ১৯ বলে ৩১ এবং চারটি ছক্কা ও চারটি চারের মারে মঈন আলীর ২৩ বলে অপরাজিত ৫৫ রানের ইনিংসের সুবাধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৯ রান করে ইংল্যান্ড।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে কোন উইকেট না হারিয়েই ১৯ ওভার ৩ বলে স্কোর বোর্ডে ২০৩ রান তুলে ১০ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন পাকিস্তানের দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আযম। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক হাকান স্বাগতিক অধিনায়ক বাবর আযম। এছাড়া রিজওয়ান হাকান তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৭তম অর্ধশতক। ৬৬ বলে ১১টি চার ও পাঁচটি ছয়ের মারে ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন বাবর আর ৫১ বলে চারটি ছক্কা ও পাঁচটি চারের মারে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান।




সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে ১ কোটি টাকা পুরষ্কার ও সংবর্ধনা দেবে সেনাবাহিনী

স্পোর্টস ডেস্ক:

দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) নারী চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী নারী ফুটবল দলের জন্য ১ কোটি টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর নারী ফুটবল দলের একটি বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শিরোপা জয়ের পর থেকেই পুরস্কার পাওয়ার সুখবর পাচ্ছেন সাবিনারা। চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের সবার ঘরের অবস্থা পরিদর্শন করে তা জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যাদের ঘরের অবস্থা ভালো নয়, যাদের ঘর দরকার, তাদের নতুন ঘর বানিয়ে দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ অধিবেশন থেকে ফিরে ফুটবলারদের অর্থ পুরস্কারও দেবেন তিনি।

সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। এর বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অনেক কর্মকর্তা আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করেছেন নারী দলকে। বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী ৫০ লাখ এবং সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক ঘোষণা করেছেন আরও ৫০ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার।

সাফজয়ী ফুটবলারদের মধ্যে কেউ মাসে ১২ হাজার, কেউ ১০ হাজার, আবার কেউ পান ৮ হাজার টাকা করে। তাদের বেতন বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।এ সম্পর্কে অধিনায়ক সাবিনা বলেন, ‘আমাদের তো চাওয়ার শেষ নেই। মূলত ফ্যাসিলিটিজ ও সম্মানীর বিষয়ে কথা বলেছি। সভাপতি স্যার আমাদের বিষয়টি বাস্তবায়ন করবেন বলে জানিয়েছেন। আমরা একটা অঙ্ক বলেছি, ফেডারেশন সেটা দেখবে।’

গত ১৯ সেপ্টেম্বর নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। স্মরণীয় এ জয়ে শামসুন্নাহার করেন একটি গোল। আর দুটি গোল করেন কৃষ্ণা রানী সরকার। এমন আরাধ্য জয় শেষে দেশে ফেরার পর জয়িতাদের বিমানবন্দরে দেয়া হয় রাজসিক সংবর্ধনা। জবাবে অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। এছাড়া তিনি ট্রফিটিও উৎসর্গ করেন দেশবাসীকে। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে কাঙ্ক্ষিত ছাদখোলা বাসে বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠেন তারা।