1

কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক মারা গেছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় রাজশাহীর নিজ বাসায় মারা যান তিনি।

তার বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মলয় কুমার ভৌমিক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যা ছাড়াও হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন হাসান আজিজুল হক।

বাসাতে থেকেই তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

হাসান আজিজুল হক ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার যবগ্রামে ১৯৩৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন।

২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অধ্যাপনা করেন।

১৯৬০ এর দশকে তিনি কথাসাহিত্যিক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন তার মর্মস্পর্শী বর্ণনাভঙ্গির জন্য।

জীবনসংগ্রামে লিপ্ত মানুষের কথকতা তার গল্প-উপন্যাসের প্রধানতম অনুষঙ্গ।

১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান।

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ও ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

সার্বজৈবনিক সাহিত্যচর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৮ সালে তাকে একটি বেসরকারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ‘সাহিত্যরত্ন’ উপাধি দেওয়া হয়।




খোলা জায়গায় নারীদের কাপড় খুলে তল্লাশি, মামলা দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

দোহার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অস্ট্রেলিয়ার ১৩ জন নারীকে কাপড় খুলে তল্লাশি করা হয়। এমন অভিযোগ তুলে কাতারের সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

২০২০ সালের ২ অক্টোবর কাতারের দোহা বিমানবন্দরের একটি আবর্জনার বিনে প্লাস্টিকে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সন্দেহবশত কাতার এয়ারওয়েজের ১৮ জন নারী যাত্রীকে খোলা পরিবেশে নার্সের তত্ত্বাবধানে কাপড় খুলে তল্লাশি চালায়। তাদের মধ্যে ২ জন ব্রিটিশ এবং বাকি ১৬ জন নারী অস্ট্রেলীয়।

যদিও এক বছরের বেশি সময় আগের এ ঘটনায় কাতার সরকার অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছে, তবুও মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারীরা। ভুক্তভোগী নারীরা জানান, পাঁচ মিনিট ধরে পরীক্ষা করে দেখার পর সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ায় তাদেরকে ফের বিমানে নিয়ে আসা হয়।

ওই নারীদের আইনজীবী ড্যামিয়েন স্টারজাকার বলেন, ‘আমার মক্কেলরা জানিয়েছেন, তারা যখন কাতার সরকারের কাছে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, (কাতার) সরকার কোনো উত্তর দেয়নি। তারা চান, কাতারের সরকার যেন এ ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কাছে ক্ষমা চায় এবং প্রতিশ্রুতি দেয়- ভবিষ্যতে এ রকম কোনো ঘটনা আর ঘটবে না।’

দেশে ফিরে ঘটনার বিষয়ে তাদেরকে তল্লাশির আগে কিছু জানানো হয়নি এবং অনুমতি ছাড়া জোরপূর্বক তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ জানান ওই নারীরা। এ ঘটনায় কাতারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানায় অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ।




বঙ্গবন্ধুর প্রতি সারা পৃথিবীর মানুষের শ্রদ্ধাবোধ প্রতিজন বাঙালির জন্য গর্ব – টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

            বঙ্গবন্ধুর প্রতি সারা পৃথিবীর মানুষের শ্রদ্ধাবোধ প্রতিজন বাঙালির জন্য গর্ব করার বিষয় বলেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু কেবল বাঙালি ও বাংলা ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই করেননি, তিনি সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় টেলিযোগাযোগ খাতে তার হাত দিয়েই শুরু হয়েছিলো বৈপ্লবিক পরিবর্তন। দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বের জন্য সারা পৃথিবী বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে ।

            মন্ত্রী সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বঙ্গবন্ধুর দূরদির্শতা শীর্ষক টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  এসব কথা বলেন।

            টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোঃ খলিলুর রহমান, বিটিআরসি ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ন-সচিব মোঃ আব্দুল হান্নান, বিটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মশিউর রহমান এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাহাব উদ্দিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সঞ্জীব ঘটক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

            ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগসহ টেলিযোগাযোগ খাতে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন, বেতবুনিয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন উপগ্রহ ভূ- কেন্দ্র স্থাপন, ১৯৭৩ সালে আইটিইউ এবং ইউপিইউ-এর সদস্য পদ অর্জনের মধ্য দিয়ে ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে অংশ গ্রহণের যাত্রা বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোপিত হয় ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ। পঁচাত্তর পরবর্তী অপশক্তির ২১ বছরেরর পশ্চাদপদতা ও জঞ্জাল অপসারণ করে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত দেশে ডিজিটাল সংযোগ ও প্রযুক্তি বিকাশের অভিযাত্রা শুরু হয়। সে সময়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহার, চারটি মোবাইল ফোনের লাইসেন্স প্রদান, ভিস্যাটের মাধ্যমে ইন্টারনেট চালুসহ ডিজিটাল সংযুক্তি ও প্রযুক্তি বিকাশে যুগান্তকারী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন। এর ফলে বঙ্গবন্ধুর রোপন করা ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজটি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরির সূদুরপ্রসারী চিন্তার ফলে চারা গাছে রূপান্তর লাভ করে। ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ধারবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে গত ১৩ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ মহিরূহে  পরিণত হয়েছে। এই কর্মসূচি পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশ এক নতুন পরিচয়ে আত্ম প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের প্রতিটি সূচকে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশ থেকে ডিজিটাল সংযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। পৃথিবীর অনেক দেশ যেখানে ফাইভ-জি প্রযুক্তির কথা ভাবতেই পারেনি সেখানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ-জয়-এর দিকনির্দেশনায় আগামী ১২ ডিসেম্বর ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

            অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব বলেন, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান পাথেয় হয়ে থাকবে। মূল প্রবন্ধে টেলিযোগাযোগ খাতে উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান সবিস্তারে তুলে ধরা হয়।




জবিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদন কার্যক্রম শুরু

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ০৪ (চার) বছর মেয়াদী স্নাতক সম্মান ও বিবিএ ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে।

১৫ নভেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক আবেদনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। আবেদন কার্যক্রম আগামী ২৫ নভেম্বর ২০২১ তারিখ রাত ১১.৫৯ পর্যন্ত চলমান থাকবে। যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অনলাইনে (http://admission.jnu.ac.bd) আবেদন করতে পারবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, পরিচালক(ছাত্র-কল্যাণ), পরিচালক (আইসিটি সেল) সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ভর্তির জন্য ‘A’, ‘B’ ও ”C’- প্রতিটি ইউনিটে আবেদন ফি ৬০০ টাকা। সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা, ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগে শুধুমাত্র ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদন করা যাবে। প্রতি বিভাগের জন্য ৬০০ টাকা আবেদেন ফি পরিশোধ করতে হবে।




গোদাগাড়ীতে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সেলিম সানোয়ার পলাশ, রাজশাহী :  গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ৫নং গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকে বিজয়ী হন স্বতন্ত্র প্রার্থী হযরত আলী।কিন্তু তার পক্ষের ফলাফল গভীর রাতে পরিবর্তন করে পরাজিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবর রহমানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় আজ সোমবার(১৫ নভেম্বর) বেলা ১১টায় নগরীর ভাটাপাড়াস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে এর প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগি চেয়ারম্যান প্রার্থী হযরত আলী।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

 

তিনি জানান,গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। এই নির্বাচনে তিনি ৫১৪ ভোটে জয়লাভ করেন। অত্র ইউনিয়নে ১০ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল সিট অনুযায়ী তিনি ৯৮০১ ভোট পান। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী মজিবর রহমান (নৌকা প্রতিক) পান ৯২৮৭ ভোট। প্রতিটি ফলাফল সিটে নির্বাচনী কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার স্বাক্ষর করেন এবং সিলমোহর দেন। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে খুব সুন্দরভাবে আনন্দ মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। কোথাও কোন গোন্ডগোল হয়নি। ভোটারগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রদান করেছেন।

 

তিনি আরও জানান,তার বিজয় সম্পর্কে পুরো ইউনিয়নবাসী জানেন। শুধু তাই নয় বিজয় নিয়ে বিভিন্ন নিউজ পোর্টালেও খবর প্রকাশিত হয়। এরপর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কার্যালয় হতে বেসরকারীভাবে চুড়ান্ত ফলাফল দেয়ার পূর্বে গড়িমসি শুরু করেন নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং রিটার্নিং অফিসার। তারা ফলাফল দিতে নানা ধরনের তাল বাহানা শুরু করেন। এক পর্য়ায়ে রাত ২টার পরে ফলাফল পাল্টে দিয়ে পরাজিত চেয়ারম্যান মজিবর রহমানকে ( নৌকার প্রার্থী) নির্বাচন অফিসার বিজিত বরে ঘোষনা করেন। যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তিনি এর তীব্র নিন্দা জানান এবং তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী করেন।

 

তিনি বলেন, চেয়ারম্যান মজিবরের অন্যান্য অত্যাচার ও দুর্নীতি থেকে বাঁচতে দলমত নির্বিশেষে ইউনিয়নবাসী তাকে নির্বাচন করার জন্য বলেন। তাদের কথা রাখতে এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং জনসেবা সঠিকভাবে করার জন্যই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন এবং জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো সরকারী দলীয় এমপি ও নেতারা অত্যন্ত জঘন্য মনমানষিকতার পরিচয় দিয়ে তাকে আবারও জোর করে পরাজিত করেন। আর সেইসাথে পরাজিত দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বিজয় ঘোষণা করেন।

 

এই সকল ষড়যন্ত্র জনসমক্ষে তুলে ধরে তাদের মুখোশ উন্মোচন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আকুল আবেদন জানান তিনি। সেই সাথে আবারও তার প্রার্থীতা ফিরে পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।




মোহামেডানের পর আবাহনীকেও হারালো মেরিনার

সময়ের চিত্র অনলাইন স্পোর্টস ডেস্ক !!

মোহামেডানের পর আবাহনীকে হারিয়ে শীর্ষে থেকেই প্রিমিয়ার হকি লিগের প্রথম পর্ব শেষ করলো মেরিনার ইয়াংস ক্লাব।

সোমবার মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে মেরিনার ১-০ গোলে হারিয়েছে আবাহনীকে।

প্রথম ৩ কোয়ার্টার গোলশূন্য থাকার পর ৫২ মিনিটে গোল করে জয় নিশ্চিত করে ক্লাব চ্যাম্পিয়ন মেরিনার ইয়াংস ক্লাব।

এই জয়ে শিরোপার দৌড়েও এগিয়ে গেলো মতিঝিল পাড়ার ক্লাবটি।

মোহামেডানকে ৫-২ গোলে হারানো মেরিনার আবাহনীকে হারিয়েছে কষ্টে পাওয়া গোলে।

৫২ মিনিটে ফজলে রাব্বির গোল দলটিকে এনে দেয় পরপর দুটি বড় জয়।

সেই সাথে আবাহনীর বিপক্ষেও টানা দুই জয়।

ক্লাব কাপের ফাইনালে আবাহনীকে হারিয়েই প্রথম শিরোপা জিতেছিল মেরিনার ইয়াংস।

১১ ম্যাচে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফাইভ শুরু করবে মেরিনার।

আবাহনী শেষ ম্যাচ খেলবে মোহামেডানের বিপক্ষে।

এই ম্যাচের ফলই ঠিক করবে দ্বিতীয় স্থানে থেকে সুপার ফাইভ শুরু করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাকি সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।

দিনের অন্য ম্যাচে মোহামেডান ৬-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাজাক্স স্পোর্টিং ক্লাবকে।

১০ ম্যাচে মোহামেডানের সংগ্রহ ২৭ পয়েন্ট।

অ্যাজাক্স শেষ ম্যাচ হারায় সুপার ফাইভে খেলার সম্ভাবনা নষ্ট করেছে।

মেরিনার, মোহামেডান ও আবাহনীর সঙ্গে সুপার ফাইভ খেলবে বাংলাদেশ স্পোর্টিং ক্লাব ও সোনালী ব্যাংক স্পোর্টিং ক্লাব।




ছাত্রদের টাকায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও মিডিয়া ট্রায়ালে নেমেছে এনএস ইউ এর ট্রাস্টি মেম্বার আজিম-কাশেম গং

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

ছাত্রদের টাকায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও মিডিয়া ট্রায়ালে নেমেছে এনএস ইউ এর ট্রাস্টি মেম্বার আজিম-কাশেম গং।এতে মানবন্ধন বাবদ লোক ভাড়া ও ভুইফোড় সাংবাদিকদের পিছনে খরচ ৫০ লক্ষ টাকা।যা ব্যয় করা হয়েছে এন এস ইউ ফান্ড থেকে।

১৯৯৫ সালে বেসরকারি খাতে ব্যাংক স্থাপনের অনুমতির কিছু দিনের মধ্যেই যাত্রা শুরু হয় সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের। সেই সময় সরকারে ছিল খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি।

বেসরকারি এই ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন এম এ কাশেম। ২০০০ সালে চেয়ারম্যান হন আবদুল্লাহ ইউসুফ হারুন। এরপর আবারও চেয়ারম্যান হন এম এ কাশেম। পরবর্তী সময়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান আজিম উদ্দীন আহমেদ ও রাগীব আলী।

তাদের নেতৃত্বে সংকটে পড়ে ব্যাংকটি। ২০০৪ সালে সেই সংকটের মুহূর্তে হাল ধরেন আলমগীর কবীর। তার দক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্বে সব সমস্যা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে চলছে সাউথইস্ট ব্যাংক। তার সময়ে মুনাফা বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৭ গুণ।

অভিযোগ আছে, গত ১৭ বছরে আলমগীর কবীর যে সফলতা দেখিয়েছেন, তাতে লাগাম টানতে এবং তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে কাশেম-আজিম সিন্ডিকেট।

সাউথইস্ট ব্যাংকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংকটিরই চারজন পরিচালক তাদের ব্যক্তিগত অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পেরে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তারা চাইছেন চেয়ারম্যান পদ থেকে আলমগীর কবীরকে সরিয়ে দিতে এবং এ পদে তাদের একজনকে বসাতে। ওই চার পরিচালক হলেন আজিম উদ্দীন আহমেদ ও তার স্ত্রী দুলুমা আহমেদ এবং এম এ কাশেম ও তার স্ত্রী জুসনা আরা কাশেম।

এদের মধ্যে আজিম উদ্দীন মিউচ্যুয়াল গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান এবং এম এ কাশেম মিউচ্যুয়াল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান। তারা দুজনই নর্থ সাউথ ইউনির্ভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিতে রয়েছেন। বোর্ডের চেয়ারম্যান এখন আজিম উদ্দীন।

আজিম ও কাশেমের বিরুদ্ধে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদের কবল থেকে রক্ষার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়।

সাউথইস্ট ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, ২০২০ সালে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পরিচালক আজিম উদ্দীনের মেয়ে তার এক পরিচিতকে ইভ্যালির মতো কোম্পানি খুলতে ১০ কোটি টাকা ঋণ পাইয়ে দেয়ার তদবির করেন। কিন্তু সেই ঋণ দিতে রাজি হয়নি সাউথইস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ কারণেই চেয়ারম্যান আলমগীর কবীরের ওপর ক্ষুব্ধ আজিম উদ্দীন।

অভিযোগ আছে, মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে না পারা এম এ কাশেম আবারও ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হতে চাইছেন। তিনি চেয়ারম্যান থাকার সময় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ২৫০ জনকে নিয়োগ দেন। আলমগীর কবীর এদের সবার শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করে অর্ধশত কর্মকর্তার ভুয়া সনদ পান। পরবর্তী সময়ে তাদের সবার চাকরি চলে যায়, যারা সবাই ছিলেন কাশেম-আজিম সিন্ডিকেটের আত্মীয়।

আরও অভিযোগ আছে, আরেক পরিচালকের ছেলে একটি কোম্পানিকে সাউথইস্ট ব্যাংক থেকে ৫২ কোটি টাকার ঋণ তুলে দেয়ার কথা বলে বিলাসবহুল গাড়ি নেন। এই ঋণের জন্য আবেদন করা হয় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি। ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়ায় ঋণ আবেদনটি বাতিল করে দেয় সাউথইস্ট ব্যাংক।

এ ঘটনায়ও চেয়ারম্যান আলমগীর কবীরের ওপর ক্ষুব্ধ কাশেম-আজিম সিন্ডিকেট।




ডিমলায় শিশু সুরক্ষা ও প্রতিবন্ধী অন্তর্ভূক্তী করণ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

মহিনুল ইসলাম সুজন,নীলফামারী ।। নীলফামারীর ডিমলায় শিশু সুরক্ষা, শিশু নিরাপত্তা ও প্রতিবন্ধী অন্তর্ভূক্তী করণ বিষয়ক দুইদিন ব্যাপী ওরিয়েন্টেশনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(১৫ নভেম্বর)বিকেলে এই সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লীশ্রীর উপজেলা ইউনিট অফিসের হলরুমে অক্সফাম ইন বাংলাদেশের সহায়তায় পল্লীশ্রী রি-কল ২০২১ প্রকল্প এই দুই দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করেন।গত রোববার ওরিয়েন্টেশনের উদ্বোধন করেন পল্লীশ্রী রি-কল ২০২১ প্রকল্পের ডিমলা সমন্বয়কারী পুরান চন্দ্র বর্মণ।ওরিয়েন্টেশনে দুইদিনে পল্লীশ্রী’র কর্মরত এলাকার ৪০ জন সিবিও নেতা অংশ গ্রহণ করেন।এতে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন-পল্লীশ্রী রি-কল ২০২১ প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলেটেটর তাহমিনা আক্তার।ওরিয়েন্টেশনের অংশগ্রহণকারী সিবিও নেতারা জানান, পুর্বে আমরা প্রশিক্ষণ নিলেও শিশু সুরক্ষা, শিশু নিরাপত্তা ও প্রতিবন্ধী অন্তর্ভূক্তী করণ ওরিয়েন্টেশনে অংশগ্রহণ করে আরও বেশি অভিজ্ঞ হলাম।আশা করি এ সংক্রান্ত বিষয়ে এলাকাবাসী সহ অন্যান্যদের সহজেই বোঝাতে আমরা সক্ষম হব।