Home বিদেশের খবর মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে ভারী অস্ত্রসহ সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে ভারী অস্ত্রসহ সেনা মোতায়েন, ব্যাপক নৃশংসতার আশঙ্কা

28
0
SHARE

সময়ের চিত্র ডেস্ক।।

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে ভারী অস্ত্রসহ হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এমন খবরে মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ ব্যাপক নৃশংসতা ও বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

গত ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে মিয়ানমার। এর মধ্যেই দেশটির উত্তরাঞ্চলে ভারী অস্ত্রসহ হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এমন খবরে মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ ব্যাপক নৃশংসতা ও বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এমন খবর জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) গার্ডিয়ানের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক টম অ্যানড্রুজ বলেন, “আমাদের সকলেরই প্রস্তুত থাকা উচিত। মিয়ানমারের দুর্গম উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হাজার হাজার সৈন্যসহ ভারী অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। যা ইঙ্গিত দেয় জান্তা সরকার মানবতার বিরুদ্ধ গণ-নৃশংসতার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

স্থানীয় এক পর্যবেক্ষণ গোষ্ঠীর মতে, অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটির জান্তা বিরোধীদের ওপর চালানো রক্তক্ষয়ী দমন অভিযানে ১ হাজারেরও বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ৮ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে মিয়ানমারের ওপর তৈরি করা বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনের ফলাফল উপস্থাপনকারী অ্যানড্রুজ জানিয়েছেন, তিনি তথ্য পেয়েছেন যে হাজার হাজার সৈন্য এবং ভারী অস্ত্র উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “অনুসন্ধানগুলো আরও ইঙ্গিত দেয় যে জান্তা সরকার মানবতার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধে জড়িত ছিল।”

অ্যানড্রুজ বলেন, “২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে পুলিশ চেকপোস্টে সহিংসতার পর বহুদিন ধরে চালানো রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ জোরালো করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের “পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ” বলে উল্লেখ করেছে। একে নিধনযজ্ঞ বলেছে যুক্তরাষ্ট্রও।”

এর আগে সোমবার, মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং, অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য কারাগারে বন্দী ৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

image_print