সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে ডিম-আলু-পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না ডিম, আলু ও পেঁয়াজ। বাড়তি দামেই খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য।
পাড়া-মহল্লার দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। যদিও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম প্রতি কেজি আলু ৩৬ এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা।
এছাড়া, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ফার্মের মুরগির ডিম। প্রতি হালি ৫০ টাকা, কোথাও কোথাও ৫২ টাকা দরেও বিক্রি করতে দেখা গেছে। অথচ সরকার নির্ধারিত দাম হচ্ছে প্রতি হালি ৪৮ টাকা।

খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সরকার ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দেয়। এই ঘোষণার পর থেকেই সরকারি সংস্থাগুলো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকার খুচরা বিক্রেতা নুরুল আলম শিকদার জানান, তিনি প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা, প্রতি কেজি আলু ৫০ টাকা ও দেশি পেঁয়াজ ৮৫ টাকায় বিক্রি করছেন। তিনি ৪৩ টাকা কেজি দরে আলু, ৭২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ ও ১৪৪ টাকায় এক ডজন ডিম কিনেছেন।

তিনি বলেন, বেশি দামে কেনা হয়েছে বলে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করা যাচ্ছে না।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, সরবরাহ না বাড়িয়ে অভিযান চালিয়ে দাম নির্ধারণ করলে খুচরা পর্যায়ে দাম কমবে না।

তেজগাঁও এলাকার ডিমের পাইকারি বিক্রেতা মোহাম্মদ মোস্তাকিম বলেন, সরকার ভারত থেকে ডিম আমদানির ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে বাজারে ডিমের দাম কমতে শুরু করেছে।

তিনি জানান, গতকাল বুধবার তিনি ১০০ ডিম ১ হাজার ১৬০ টাকায় বিক্রি করেছেন। এক সপ্তাহ আগেও একই সংখ্যক ডিমের দাম ছিল এক হাজার ১৮০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

তিনি মনে করেন, সরকারের বর্তমান উদ্যোগগুলো স্বল্পমেয়াদে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে তা কার্যকর নয়।

রাজধানীর শ্যামবাজারে পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মাজেদ বলেন, পেঁয়াজের মতো পচনশীল পণ্যের দাম নির্ধারণ করে কতোটুকু সাফল্য অর্জন করা যাবে তা বলতে পারছি না।

এই বিভাগের আরো খবর