Home ছবির গ্যালারী রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

43
0
SHARE

বিনোদন প্রতিবেদক।।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার জন্মদিন আজ। দিনটি পরিবারের সঙ্গেই কাটাবেন বলে জানিয়েছেন এই জীবন্ত কিংবদন্তি।

রুনা লায়লা বলেন, জন্মদিন এলেই আসলে ছোটবেলার জন্মদিনের কথা খুব মনে পড়ে। বাবা-মায়ের কথা খুব মনে পড়ে। এখন তো আসলে জন্মদিনকে ঘিরে বিশেষ তেমন কিছু করা হয়ে ওঠে না। ঘরের মধ্যেই দিনটিকে বিশেষায়িত করার চেষ্টা থাকে। পরিবারের সঙ্গেই সময় কেটে যায়। আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে, এক জীবনে আমি অনেক পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। সত্যিই আমার আর চাওয়ার কিছু নেই। যে যশ, নাম, খ্যাতি হয়েছে, তাতেই আমি পরিপূর্ণ, আলহামদুলিল্লাহ। এখন শুধু কিছু সুর সৃষ্টি করে যেতে চাই, নতুনদের কণ্ঠে সেসব সুর তুলে দিয়ে যেতে চাই। আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ রাখেন, আমার পরিবারের সবাইকে ভালো রাখেন— এ দোয়া চাই।

প্রায় দুবছর করোনায় অনেকটাই ঘরবন্দি সময় কাটানোর পর আগামী ১৯ নভেম্বর রুনা লায়লা লন্ডনে যাচ্ছেন মেয়ে তানি ও দুই নাতির সঙ্গে সময় কাটাতে। ১৭টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন এই গুণী শিল্পী। পেয়েছেন স্বাধীনতা পদকসহ বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

রুনা লায়লা একজন সংগীতশিল্পী নয়, হওয়ার কথা ছিল নৃত্যশিল্পী। টানা চার বছর করাচির বুলবুল ললিতকলা একাডেমির ভরতনাট্যম, কত্থক, কত্থকলি শেখেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত গানের মাঝেই থেকে যান।

৫৭ বছরের বর্ণাঢ্য সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন ১২ বছরের এক কিশোরের জন্য গান গেয়ে। ১৯৬৪ সালে বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলীর অনুমতি নিয়ে সাড়ে ১১ বছর বয়সে পাকিস্তানের ‘জুগনু’ সিনেমায় প্রথম গান করেন রুনা।

‘গুড়িয়াসি মুন্নি মেরি ভাইয়া কি পেয়ারি’ গানটি কণ্ঠে তোলার জন্য একটানা দুই মাস প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে মুম্বাইয়ে পাকিস্তানি সুরকার নিসার বাজমির সুরে একদিনে ১০টি করে ৩ দিনে ৩০টি গানে কণ্ঠ দিয়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও নাম লিখিয়েছিলেন বাংলাদেশের এই গানের পাখি।

image_print