Home প্রধান খবর প্রাক-কভিড পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন অসম অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের মুখোমুখি বিশ্ব অর্থনীতি

প্রাক-কভিড পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন অসম অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের মুখোমুখি বিশ্ব অর্থনীতি

74
0
SHARE
সময়ের চিএ ডেস্ক।।
কভিডের বিপর্যয় কাটিয়ে উঠছে বিশ্ব। গত বছরের শুরু থেকেই ঘুরে দাঁড়ায় অর্থনীতিগুলো। রেকর্ড তৈরি হয় বৈশ্বিক বাণিজ্য পুনরুদ্ধারেও। এরই মধ্যে কভিডপূর্ব স্তরকে ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনীতি। দুই বৃহত্তম অর্থনীতির হাত ধরে ২০২১ সালে বৈশ্বিক জিডিপির আকার ৯৪ লাখ কোটি ডলারের রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। যদিও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে পিছিয়ে রয়েছে বাকি বিশ্ব। সম্প্রতি প্রকাশিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) একটি পূর্বাভাসমূলক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ডয়েচে ভেলে।
গত বছর চীনের অর্থনীতি ২০১৯ সালের চেয়ে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ বড় হয়েছে বলে অনুমান করা হয়েছে। ওইসিডির প্রাক্কলন অনুযায়ী, চীনের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ২০১৯ সালে ১৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি ডলার থেকে ২০২১ সালে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে মার্কিন জিডিপি ২ শতাংশ বেড়ে ২০ লাখ ৩০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। স্বল্পোন্নত দেশের পাশাপাশি বিশ্বের অন্য ধনী দেশগুলোর অর্থনীতির পুনরুদ্ধারও অসম থেকে গেছে। জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও ভারতের মতো শীর্ষ অর্থনীতিগুলোও এখনো কভিডপূর্ব পর্যায়ে পৌঁছতে পারেনি।
জাপানের জিডিপি এখনো ২০১৯ সালের চেয়ে ৩ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে। জার্মানির এ পিছিয়ে থাকার হার ২ শতাংশ। এছাড়া বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি এখনো মহামারীর আগের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ ছোট রয়ে গেছে।
বিশ্বজুড়ে চলমান সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যাঘাত জার্মানি ও জাপানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বিশ্বজুড়ে কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্যের চালান বিলম্বিত হয়েছে। বিশেষভাবে ক্ষতির মুখে পড়ে গাড়ি শিল্প। শিপিং ও অন্যান্য লজিস্টিক বিলম্বের ধাক্কা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে পড়েছে। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার প্রভাব জটিল আকার ধারণ করে।
ওইসিডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২২ সালে এ তিন অর্থনীতি কভিডপূর্ব পর্যায়কে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই ভারতও। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২১ সালে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে। এ হিসাবে গত বছর ভারতের জিডিপির আকার ২ লাখ ৭১ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এটি প্রাক-কভিডের তুলনায় মাত্র ১ শতাংশ কম।
image_print