প্রথম ধাপের উপজেলা ভোটে চেয়ারম্যান হলেন যারা

 

প্রথম ধাপের উপজেলা ভোটে চেয়ারম্যান হলেন যারা

 

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এসব উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলে। এই ধাপে ২২টি উপজেলায় ইভিএম ও বাকিগুলোয় ব্যালট পেপারে ভোট হয়েছে।

কেন্দ্রে কেন্দ্রে গণনা শেষে চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের একীভূত ফলাফল ঘোষণা করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সারাদেশ থেকে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো ফলাফল-

ফুলগাজী (ফেনী): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন মজুমদার (কাপ-পিরিজ) ২৭ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. জাফর উল্ল্যাহ ভূইয়া (চিংড়ি মাছ) পেয়েছেন ৭৭৫ ভোট।

বানিয়াচং (হবিগঞ্জ): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান আনারস প্রতীকে ৪২ হাজার ৪৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী (মোটরসাইকেল) প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৮০৩ ভোট।

আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ): চেয়ারম্যান পদে মো. আলা উদ্দিন কাপ-পিরিচ প্রতীকে ১৫ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলী আমজাদ তালুকদার পেয়েছেন ১২ হাজার ৫০৩ ভোট।

গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ): আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ ৪৪ হাজার ৫৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২৩ হাজার ৫৬৯ ভোট।

মধুখালী (ফরিদপুর): চেয়ারম্যান পদে মধুখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদুজ্জামান মুরাদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ২৯ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আহসানুজ্জামান আজাউল ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৮৫ ভোট।

সদর (ফরিদপুর): চেয়ারম্যান পদে কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামচুল আলম চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৩১ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হাসান টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯ ভোট।

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর): চেয়ারম্যান পদে চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার আলী আনারস প্রতীকে ১৬ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিজাম উদ্দিন টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৫৪ ভোট।

মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যাপক সিরাজুল মোস্তফা তালকুদার চেয়ারম্যান পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৬ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের সৈয়দ মনজুর হোসেন পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৬ ভোট।

মতলব উত্তর (চাঁদপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ মানিক ঘোড়া প্রতীকে ৩৩ হাজার ৭০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের মুক্তার হোসেন পেয়েছেন ২০ হাজার ৯২ ভোট।

সদর (মাগুরা): জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা আমির ওসমান মোটরসাইকেল প্রতীকে ৮৩ হাজার ৪৭১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ মো. রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৬৩ ভোট।

শ্রীপুর (মাগুরা): আওয়ামী লীগ কর্মী শরিয়ত উল্লাহ হোসেন মিয়া মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মুস্তাসিম বিল্লাহ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৩১ ভোট।

বন্দর (নারায়ণগঞ্জ): জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেন আনারস প্রতীকে ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন ৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৪ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন৷

সুবর্ণচর (নোয়াখালী): চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম এ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৫ ভোট।

সাবাব চৌধুরী নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে।

সদর (কুষ্টিয়া): কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা আনারস প্রতীকে ৬৭ হাজার ৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু আহাদ আল মামুন ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৬।

আতাউর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের আপন চাচাত ভাই।

খোকসা (কুষ্টিয়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মাসুম মোর্শেদ শান্ত ঘোড়া প্রতীকে ২৫ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আকতার মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৭৬২ ভোট।

হাকিমপুর (দিনাজপুর): জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মো. কামাল হোসেন রাজ ২২ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মো. হারুন উর রশিদ ভোট পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৭৮ ভোট।

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শুভ রহমান চৌধুরী ২৮ হাজার ৬৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি সারওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৮৪ ভোট।

বিরামপুর (দিনাজপুর): জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পারভেজ কবীর ৪২ হাজার ৯৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা মো. মতিউর রহমান ভোট পেয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৭।

সদর (রাঙামাটি): জেএসএসের (সন্তু লারমা) অন্ন সাধন চাকমা ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব চাকমা ১০ হাজার ২৯ পেয়েছেন।

কাউখালী (রাঙামাটি): চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সামশুদ্দোহা চৌধুরী। তার প্রাপ্ত ভোট ২৩ হাজার ৬৯৩। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেএসএসের মং সুই ইউ চৌধুরী পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৭৭ ভোট।

বরকল (রাঙামাটি): চেয়ারম্যান পদে জেএসএসের বিধান চাকমা পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াল-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৩২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৭ ভোট।

সদর (বান্দরবান): বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল কুদ্দুছ মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৯ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৬ ভোট।

আলীকদম (বান্দরবান): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৯ হাজার ৭০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবুল কালাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫১৬ ভোট।

ঝিনাইগাতী (শেরপুর): বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৮ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ ফারুক মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫২ ভোট।

শ্রীবরদী (শেরপুর): উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৫ হাজার ১২৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছালাহ উদ্দিন ছালেম কই মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ১০ ভোট।

পাংশা (রাজবাড়ী): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম বুড়ো মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫৪ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৯২ ভোট।

কালুখালী (রাজবাড়ী): উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আলিউজ্জান টিটো আনারস প্রতীকে ২১ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৭ ভোট।

ধামইরহাট (নওগাঁ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আজাহার আলী মণ্ডল ৪৬ হাজার ৮৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মো. ওসমান আলী পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৭৪ ভোট।

বদলগাছি (নওগাঁ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক শামসুল আলম খান কৈ মাছ প্রতীকে ২১ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু খালিদ বুলু কাপ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ২৬৭ ভোট।

পত্নীতলা (নওগাঁ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬২ হাজার ৭৮৮ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল খালেক চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৫৬ ভোট।

গাবতলী (বগুড়া): আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য অরুণ কান্তি রায় সিটন ৪১ হাজার ৬০৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী রফি নেওয়াজ খান রবিন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৭৫২ ভোট।

সারিয়াকান্দি (বগুড়া): আনারস প্রতীকের প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন সজল আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম মন্টু পেয়েছেন ৬ হাজার ১৫৩ ভোট।

সাখাওয়াত হোসেন সজল বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের ছেলে।

সোনাতলা (বগুড়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনহাদুজ্জামান লিটন আনারস প্রতীকে ২০ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জাকির হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৪৫ ভোট।

মীনহাদুজ্জামান লিটন সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের আপন ছোট ভাই।

সদর (বরিশাল): চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির বরিশাল আঞ্চলিক কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল মালেক কাপ-পিরিচ প্রতীকে ১৯ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী এস এম জাকির হোসেন পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪১৪ ভোট।

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল): যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক রাজিব আহম্মদ তালুকদার ৩৮ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৯৪ ভোট।

সদর (নরসিংদী): জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৭২ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সদর থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বাকির আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৯১৫ ভোট।

 

পলাশ (নরসিংদী): তৃতীয়বারের মত উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জাবেদ হোসেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৩১ হাজার ৩৪৩ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়াশাল পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শরীফুল হক দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৮ ভোট।

 

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা): চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আবদুল মান্নান চৌধুরী। তিনি ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন পেয়েছেন ১১ হাজার ৬১২ ভোট।

লাকসাম (কুমিল্লা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউনুছ ভুঁইয়া আনারস প্রতীকে ৮১ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা জাসদের সভাপতি বিকাশ চন্দ্র সাহা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৪৪ ভোট।

মেঘনা (কুমিল্লা): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ আনারস প্রতীকে ১৮ হাজার ৭০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মো. রমিজ উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ২১০ ভোট।

কচুয়া (বাগেরহাট): ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. মেহেদি হাসান বাবু দোয়াত-কলম প্রতীকে ২৬ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৭৬ ভোট।

রামপাল (বাগেরহাট): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন আনারস প্রতীক ২৪ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সদস্য এস এম জামিল হাসান ২৩ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়েছেন।

কলমাকান্দা (নেত্রকোণা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস বাবুল দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩২ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান চয়ন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৩৭৭ ভোট।

দুর্গাপুর (নেত্রকোণা): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান নীরা ওরফে সাদ্দাম আকঞ্জি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমান কৈ মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ১৪২ ভোট।

মনিরামপুর (যশোর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি, বর্তমান সদস্য আমজাদ হোসেন লাভলু আনারস প্রতীকে ৬৯ হাজার ২৭৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ৭১৮ ভোট।

কেশবপুর (যশোর): উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১৮ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শালিক প্রতীকের নাসিমা আকতার সাদেক পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৬ ভোট।

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন বাবুল আনারস প্রতীকে ৫৬ হাজার ১৪৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াজেদুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩৫ ভোট।

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চু কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩৪ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৫৭ ভোট।

শাল্লা (সুনামগঞ্জ): সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস ঘোড়া প্রতীকে ২৪ হাজার ৩৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি গনেন্দ্র চন্দ্র সরকার আনারস প্রতীকে ১৫ হাজার ৬৫৮ ভোট পেয়েছেন।

 

দিরাই (সুনমাগঞ্জ): চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায়। তিনি দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩০ হাজার ৪৫২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রঞ্জন কুমার রায় পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৩৬ ভোট।

সদর (মাদারীপুর): যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিবুর রহমান খান ৭৫ হাজার ৫৯৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩০৩ ভোট।

আসিবুর সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানের ছেলে। পাভেলুর রহমান শফিক খান সংসদ সদস্য শাজাহান খানের আপন চাচাত ভাই।

রাজৈর (মাদারীপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহসিন মিয়া ৪৩ হাজার ৭৪১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহীন চৌধুরী পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫৫৪ ভোট।

কালাই (জয়পুরহাট): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনফুজুর রহমান মিলন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ৪৫৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম তালুকদার বেলাল আনারস প্রতীকের পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৪৩ ভোট।

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট): পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দুলাল মিয়া সরদার দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩০ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা তাইফুল ইসলাম তালুকদার পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০১ ভোট।

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট): জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোকসেদ আলী মণ্ডল মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রমৈত্রীর সাবেক নেতা সরদার নুরুন্নবী আরিফ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ১২৫ ভোট।

সদর (কিশোরগঞ্জ): উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আওলাদ হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৫ হাজার ৪১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮৪৬ ভোট।

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ): আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ সোহেল ২৩ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হালিম হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ১৭৪ ভোট।

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ): পাটুয়াভাঙ্গা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা এমদাদুল হক জুটন আনারস প্রতীকে ২৮ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়াম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৭৯১ ভোট।

ফুলপুর (ময়মনসিংহ): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান আনারস প্রতীকে ৪৯ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম রাসেল ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ২১৬ ভোট।

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ): আনারস প্রতীক নিয়ে ২৮ হাজার ৬২৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ডেভিড রানা চিসিম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আকন্দ সাগর ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ৩৪৮ ভোট।

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ আবদুল হামিদ আনাসর প্রতীকে ৩৪ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭ ভোট।

এই বিভাগের আরো খবর