Home দেশের খবর নাসিরনগরে ১৩ ইউনিয়নের সাতটিতে স্বতন্ত্র-বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়

নাসিরনগরে ১৩ ইউনিয়নের সাতটিতে স্বতন্ত্র-বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়

32
0
SHARE

 প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতটিতে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র-বিদ্রোহী প্রার্থী। অন্যান্য ছয়টিতে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শুরু হয়ে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৪টায়। পরে রাতে বেসরকারিভাবে ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাচন সমন্বয়কারী হালিয়া খাতুন ভোটের এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ফল নিশ্চিত করেন করেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।

বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা ফলাফল থেকে জানা গেছে, উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৯ হাজার ৪৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এটিএম মোজাম্মেল সরকার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৩ ভোট।

 নাসিরনগর সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী পুতুল রাণী দাস নৌকা প্রতীকে ৪ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিজ মিয়া চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৭ ভোট।

কুণ্ডা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছির উদ্দিন ভূঞা আনারস প্রতীকে ৫ হাজার ৯৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমরাও খান চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১১ ভোট।

ফান্দাউক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফারুকুজ্জামান ফারুক নৌকা প্রতীকে ৬ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ৮ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সফিকুল ইসলাম। তার প্রতীক ছিল ঘোড়া।

হরিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক মিয়া আনারস প্রতীকে ৬ হাজার ১৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল মিয়া চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৬৯ ভোট।

গোয়ালনগর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজহারুল হক চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে ৪ হাজার ১৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নৌকার প্রার্থী কিরণ মিয়া  পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট।

ভলাকুট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রুবেল মিয়া নৌকা প্রতীকে ৮ হাজার ৭৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরাফাত আলী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৩৩ ভোট।

‘নৌকা’ প্রতীকে ২ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন চাপরতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনসুর আলী ভূঁইয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হামিদ চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৯০৭ ভোট।

পূর্বভাগ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আক্তার মিয়া নৌকা প্রতীকে ৪ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯১৬ ভোট।

৫ হাজার ৫১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন গোকর্ণ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মো. শাহীন। তার প্রতীকি ছিল ঘোড়া। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছোয়াব মোহাম্মদ হৃতুল নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৯৩ ভোট।

ধরমন্ডল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৬ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে বাহার উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৪ হাজার ২৮০ ভোট।

চাতলপাড় ইউনিয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম চশমা প্রতীকে ১১ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ আব্দুল আহাদ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩২৯ ভোট।

গুনিয়াউক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জিতু মিয়া নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম ছিলেন শামসুল হক। এ স্বতন্ত্র প্রার্থী  ‘আনার’ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭৯ ভোট।

image_print