দেশের সব বেসরকারি পাঠাগারকে জাতীয়করণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে সারাদেশে অসংখ্য বেসরকারি পাঠাগার পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু সঠিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বেশিরভাগেরই শোচনীয় অবস্থা। মানুষ যাতে পাঠাগার মুখী হয় সেজন্য দেশের সব বেসরকারি পাঠাগারকে জাতীয়করণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট পাঠাগার গড়তে সরকারিভাবে প্রত্যেক পাঠাগারের জন্য একটি করে কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্হাগার সমন্বয় পরিষদ শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তোপখানায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের হল রুমে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি মোমিনুর রহমান সবুজের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লেখক ও গবেষক লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঅধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, একটি পাঠাগার পরিচালনার জন্য সরকার বছরে ২০-৩০ হাজার টাকা অনুদান দেয়। যা দিয়ে বিদ্যুৎ ও পত্রিকার বিল ও দেয়া সম্ভব হয় না। ফলে দেশের অনেক পাঠাগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে জোড়াতালি দিয়ে চললেও, তেমন সুযোগ-সুবিধা দিতে পারেনা। অথচ একটি পাঠাগার যুগ যুগ ধরে জ্ঞানের আলো ছড়ায়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে, সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে যদি পাঠাগারের পৃষ্ঠপোষকতার দায়িত্ব দেয়া হয়, তাহলে সারাদেশেই পাঠাগারগুলো আরো ভালোভাবে পরিচালিত হবে।

এই বিভাগের আরো খবর