Home অর্থ ও বানিজ্য জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: অর্থমন্ত্রী

জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: অর্থমন্ত্রী

37
0
SHARE

বিশেষ প্রতিবেদক ||

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত অকৃত্রিম বন্ধু। ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জাপান সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এটি ছিল অংশীদারত্বের সূচনা, যা দিনে দিনে শক্তিশালী হয়েছে।’

সোমবার (২২ নভেম্বর) বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে দুটি বিনিয়োগ প্রকল্প এবং একটি বাজেট সহায়তা সংক্রান্ত ঋণের জন্য মোট ২.৬৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের (২৯২.২৭৯ বিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন) বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির সঙ্গে বিনিময় নোট এবং বাংলাদেশস্থ জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইওহো হায়াকাওয়ার সঙ্গে ঋণচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এনইসি-২ কনফারেন্স কক্ষে বিকেল ৩টায় ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অর্থমন্ত্রী আ ভার্চুয়ালি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেযুক্ত ছিলেন।

এছাড়া, অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, সিপিজিসিবিএল, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর, পিজিসিবি, ডিএমটিসিএল, জাপান দূতাবাস এবং জাইকার বাংলাদেশ অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সভায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যমুনা নদীর ওপর রেল সেতু, ঢাকা শহরের মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, মাতারবাড়ি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দরসহ চলমান বেশ কয়েকটি আইকনিক মেগা প্রকল্পে জাপান সরকারের সম্পৃক্ততার জন্য জাপান সরকারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির শুরুতে জাপান বাজেট সহায়তার আহ্বানে খুবই দ্রুত ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। জাপান সরকার গত বছর বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো ৩২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণ দিয়েছে। আজকে ৩৬৫মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কোভিড-১৯ ক্রাইসিস রেসপন্স ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফেজ-২ স্বাক্ষরিত হচ্ছে। পাশাপাশি এটাও খুবই আনন্দের যে, ৪২তম ইয়েন লোন প্যাকেজের প্রথম ধাপের অধীনে ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দুটি ঋণ চুক্তি আজ স্বাক্ষরিত হচ্ছে।’

জাপান সরকারের ৪২তম ওডিএ লোন প্যাকেজের (প্রথম ব্যাচ) আওতাধীন বিনিয়োগ প্রকল্প দুটির জন্য স্বাক্ষরিত ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণকাজের জন্য ০.৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য ০.০১ শতাংশ, ফ্রন্ট অ্যান্ড ফি (এককালীন) ০.২ শতাংশ। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য। বাজেট সাপোর্ট ঋণের বাৎসরিক সুদের হার ০.৫৫ শতাংশ, ফ্রন্ট অ্যান্ড ফি (এককালীন) ০.২ শতাংশ। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য।

image_print