Home অর্থ ও বানিজ্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

23
0
SHARE

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের তৃতীয় বাজেট। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৩তম বাজেট। ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার এ বাজেট দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহত বাজেটও বটে।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি যন্ত্রপাতি যেমন ইউডার (নিড়ানি) ও উইনোয়ারের (ঝাড়াইকল) উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে থ্রেসার মেশিন, পাওয়ার রিপার, পাওয়ার টিলার, অপারেটেড সিডার, কম্বাইন হারভেস্টর, রোটারি টিলার, নিড়ানি ও ঝাড়াইকলের আমদানি পর্যায়ের আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।

স্পিনিং মিলে ব্যবহৃত পেপার কোনের ওপর বিদ্যমান মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কোভিড-১৯ টেস্ট কিট, পিপিই এবং ভ্যাকসিন আমদানি উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। ব্যবসায়ী পর্যায়ে ফলের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাই ফলের দাম কমতে পারে।

উৎপাদন পর্যায়ে মুড়ির ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাই প্যাকেটজাত মুড়ির দাম কমতে পারে। সিসিভেদে মাইক্রোবাস আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে। তাই মাইক্রোবাসের দাম কমতে পারে। হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে। তাই জ্বালানি বান্ধব গাড়ির দাম কমতে পারে।

গ্রামাঞ্চলে মানুষের স্যানিটেশন সুবিধা আরও সুলভ করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ‘লং প্যান’-এর ওপর থেকে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অটিজম সেবার কার্যক্রমের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর প্রযোজ্য সমুদয় ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার উৎপাদনের লক্ষ্যে কতিপয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়া ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক কেটলি, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার, প্রেসার কুকারের স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে। ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ইলেক্ট্রিক ওভেনের উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দামও কমতে পারে।

যেসব পণ্যের দাম বাড়বে

এবারের বাজেটে কিছু পণ্যে আয়কর, শুল্ক, ভ্যাট অথবা সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ফলে মদ, সিগারেট, গুল, জর্দা, প্রসাধনী, বিদেশি ফল, জুস, স্যানিটারি টেবিলওয়্যার, কিচেন ওয়্যার, বিদেশি টাইলস এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

মদ-বিয়ার: বর্তমানে মদ আমদানিতে অন্যান্য শুল্কের সঙ্গে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর নেওয়া হয়। নতুন বাজেটে এটা বাড়িয়ে ২০ শতাংশ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফল: এখন ফল আমদানিতে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর দিতে হয়। এবারের বাজেটে এটি বাড়িয়ে ২০ শতাংশ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে আমদানি করা ফলের দাম বাড়তে পারে।

প্রসাধনী: প্রসাধনী আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ সব পণ্যের দাম বাড়বে।

সিগারেট, গুল ও জর্দা: অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্য গুল, জর্দার দাম বাড়তে পারে।

জুস: নতুন বাজেটে আমদানি করা জুসের ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

বিদেশি টাইলস: আমদানি করা টাইলসের ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে এই পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে।

কিচেন ওয়্যার: কিচেন ওয়্যার পণ্য আমদানিতে বাড়তি ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করায় এ পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

করোনা টেস্ট কিট, টিকা আমদানি ও উৎপাদনে কর অব্যাহতি

করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কোভিড-১৯ টেস্ট কিট, পিপিই এবং ভ্যাকসিন আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস রোধসহ দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতির প্রস্তাব করছি।

করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কোভিড ১৯ টেস্ট কিট, পিপিই এবং ভ্যাকসিন আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা বহাল। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে মানুষের স্যানিটেশন সুবিধা আরোও সুলভ করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ‘লং প্যান’ এর উপর থেকে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হলো।

রূপপুর প্রকল্পে সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে। এ প্রকল্পে ১৮ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ৯ লাখ টাকার ব্যয় সম্বলিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এছাড়াও বাজেটে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১১ হাজার ৪৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকছে।

বর্তমান পরিস্থিতি বেশি দিন থাকবে না। দেশ স্বাভাবিক হলে আবারও বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে বাজেটে। ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টে (মেট্রোরেল) ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মাতারবাড়ি ১২শ’ মেগাওয়াট আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্পে ৬ হাজার ১৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৫ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পদ্মাসেতু রেল লিংক প্রকল্পে ৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক আন্ডার ডিপিডিসি এরিয়া প্রকল্পে ৩ হাজার ৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পে বরাদ্দ থাকছে ২ হাজার ৮২৭ কোটি টাকা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ৩ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে।

সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত

পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ৬১ হাজার ৬৩১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে বিদ্যুৎ খাত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের এডিপির সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত। এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ৬১ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ২৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এরপরেই বিদ্যুৎখাতে গুরুত্ব দিয়ে ৪৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরপর গৃহায়ণ খাতে ২৩ হাজার ৪২১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন এডিপিতে বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ স্থানে শিক্ষা খাতে ২৩ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা মোট এডিপির ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ।

সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেবে সরকার

সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেবের সরকার। যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বেশি।

ব্যাংক বহির্ভূত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে মোট ৩৭ হাজার ১ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরমধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে নেবে ৩২ হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত এ বাজেটে মোট আয় ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। ঘাটতি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। মোট উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। এরমধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। আর মোট অনুন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

করোনাকালে অপরিবর্তিত থাকছে করমুক্ত আয়সীমা

করোনা মহামারিকালে দেয়া দ্বিতীয় বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা আগের মতোই থাকছে। প্রস্তাবিত ২০২১-২২ বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।

এছাড়া নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে যাদের বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকার কম, তাদের কোনো কর দিতে হবে না।

প্রস্কাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর কারণে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি। ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য বিদ্যমান এই করহার তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্যও প্রযোজ্য ছিল। তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের সামাজিক আত্তীকরণের লক্ষ্যে বিশেষ বিধান চালুর পাশাপাশি তাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসা সহজীকরণ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে ব্যক্তিশ্রেণির ব্যবসায়ী করদাতাদের করদায় লাঘবে সরকার সদা তৎপর। এ লক্ষ্যে ব্যক্তি করদাতাদের ব্যবসায়িক টার্নওভার করহার হ্রাস করে ০.৫ শতাংশের পরিবর্তে ০.২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারি শুরুর পর প্রথম বাজেট ২০২০-২১ করমুক্ত আয় সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়৷ এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছিল। তারপর চার বছর করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকাই ছিল।

সাধারণত চার-পাঁচ বছর পরপর জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় করসীমা বাড়ানো হয়। বর্তমানে ৩ লাখ টাকা বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর দিতে হয় না। পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ে কর দিতে হয় ৫ শতাংশ হারে, তার পরবর্তী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ে কর দিতে হয় ১০ শতাংশ হারে, পরবর্তী ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হয় ১৫ শতাংশ হারে, তার পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হয় ২০ শতাংশ হারে। এর চেয়ে বেশি আয়ের জন্য ২৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হচ্ছে।