Home জাতীয় সোনার হরিণ ধরার পেছনে অন্ধের মতো ছুটবেন না: প্রধানমন্ত্রী

সোনার হরিণ ধরার পেছনে অন্ধের মতো ছুটবেন না: প্রধানমন্ত্রী

86
0
SHARE

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশীগামী দালালদের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সোনার হরিণ ধরার পেছনে কেউ দয়া করে অন্ধের মতো ছুটবেন না। দালালদের খপ্পরে পড়বেন না। আসলে মানুষ অনেক সময় নানা ধরনের চিন্তা করে- ভাবে বিদেশে গেলে অনেক অর্থ উপার্জন করবে; সেখানে কিছু কিছু দালালের খপ্পরে অনেকে পড়ে অন্ধকারের পথে পা বাড়ায়। সেখানেও আমি তাদের বলব, আপনারা এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হবেন না। এখন আমাদের দেশে কাজেরও যেমন অভাব নেই, খাবারেরও অভাব নেই আল্লাহর রহমতে। কাজেই এখন আর সোনার হরিণ ধরার পেছনে কেউ দয়া করে অন্ধের মতো ছুটবেন না। আপনারা নিবন্ধন করে তার মাধ্যমে যান, সেটাই আমরা চাই।

বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।বিদেশেকর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসনের সঙ্গে জড়িতদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, শ্রমিক অভিবাসনের সঙ্গে যারা জড়িত, বিশেষ করে রিক্রুটিং এজেন্ট থেকে শুরু করে আমাদের মন্ত্রণালয়, এদেশের মানুষ কিন্তু মানুষ। সেইভাবে তাদের মর্যাদা দিতে হবে। তাদের যেন কোন রকম সমস্যা না হয়।’

তিনি বলেন, যারা বিদেশে যেতে চায় তাদের কর্মসংস্থান ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, তাদের নিরাপত্তা ঠিকমতো আছে কিনা, বিশেষ করে আমাদের মেয়েরা যারা যায়, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টা সকলকেই লক্ষ্য রাখতে হবে। সেজন্য এক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যারা কর্মরত বা বিদেশে কর্মী প্রেরণে যেসব সংগঠনগুলো আছে, তাদের আমি অনুরোধ করব আপনাদের দায়িত্বশীলতার ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ দায়িত্বটা আপনাদের উপরে বর্তায়।

বিদেশে গেলে অনেক অর্থ উপার্জন করা যাবে, কিছু মানুষের এমন প্রবণতার কথা উল্লেখ করে বিদেশ যাওয়ার সময় অনেকে দালালদের খপ্পরে পড়ে অন্ধকার পথে পা বাড়ায় বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশগামীদের বলব, আপনারা এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হবেন না। দালালদের খপ্পরে পড়বেন না। আমরা সমগ্র বাংলাদেশে যে ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি, তারই মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধন করার সুযোগ আছে। আর এই নিবন্ধিত যারা যেখানেই কাজের সুযোগ হবে তাদের সেখানে প্রেরণ করা হয়। কাজেই সেজন্য ধৈর্য ধরতে হবে। কিন্তু যদি আপনারা কারও প্ররোচনায় বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়েন সেটা নিজেদের জন্য, পরিবারের জন্য খুবই কষ্টকর, খুবই ক্ষতিকর। কিছুদিন আগে আপনারা জানেন যে, লিবিয়ায় কতজনকে জীবন দিতে হলো। এই পরিস্থিতির শিকার যেন আমার দেশের মানুষকে হতে না হয়।

সরকারপ্রধান এ সময় অভিবাসী কর্মীদের নিবন্ধন এবং প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে এসব বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, বিদেশে গমনেচ্ছুরা নিবন্ধন করে নিয়ম মাফিক যান, সেটাই আমরা চাই। কেননা, প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আর প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে আরও নজরদারি করতে হবে এবং বিদেশে কর্মী পাঠানোয় সম্পৃক্তদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রবাসীদের কর্মসংস্থান ঠিকমতো হচ্ছে কি না, কর্মস্থলের নিরাপত্তা, বিশেষ করে নারী কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে সকলকেই লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ দায়িত্বটা আপনাদের ওপরই বর্তায়।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ না নিয়ে কোনভাবে একটি সার্টিফিকেট নিয়ে নেন এবং বিদেশে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। কাজেই এই কাজটি না করে আন্তরিকতার সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়ে গেলে কেউ আর বিদেশে গিয়ে হয়রানির শিকার হবেন না। আমরা যে সব ডিজিটাল সেন্টার করেছি, তার মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধন করার যে সুযোগ রয়েছে তাকে কাজে লাগান। যেখানেই কাজের সুযোগ হয় সেখানে নিবন্ধিতদের মধ্য থেকেই প্রেরণ করা হয়। নিজেদের নিরাপত্তার কথা এবং পরিবারের কথাটা সব সময় চিন্তা করতে হবে।

প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনীরুছ সালেহীন স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং রিক্রুটিং এজেন্টদের সংগঠন ‘বায়রা’র সাবেক সভাপতি বেনজির আহমেদ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গণভবন প্রান্তে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসসহ উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মন্ত্রী ইমরান আহমেদ প্রবাসী বাংলাদেশীদের মেধাবী সন্তানদের মধ্যে শিক্ষাবৃত্তির চেক এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে সিআইপি ক্রেস্ট এবং সনদ বিতরণ করেন। বৈধ চ্যানেলে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রদানকারী হিসেবে মাহতাবুর রহমান এবং জেসমিন আক্তারকে পুরস্কৃত করা হয় এবং আনাবাসী বাংলাদেশী হিসেবে দেশে সরাসরি বিনিয়োগের জন্য কল্লোল আহমেদ সিআইপি ক্রেস্ট লাভ করেন। ২০০৯ থেকে অদ্যাবধি মোট ১৫৫ জনকে সিআইপি মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের সময়ে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কথা উল্লেখ করে দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানকারী প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ যেমন আসছে, তেমনি প্রবাসী বাংলাদেশীরাও দেশে বিনিয়োগ করতে পারেন। যারা অভিবাসী রয়েছেন, দীর্ঘদিন বিদেশে আছেন, তারা দেশে বিনিয়োগ করতে পারেন। বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করা বা ডিজিটাল ইকুইপমেন্টস তৈরি করা বা বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদেশীরা যেমন আসছেন, আমাদের প্রবাসীরাও কিন্তু আজকে দেশে এসে বিনিয়োগ করতে পারেন। কারণ, প্রবাসীদের জন্য তিনটি ব্যাংকের কর্মকাণ্ড চালুর পাশাপাশি আমরা বিভিন্নভাবে সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কর্মীরা যেসব দেশে কাজ নিয়ে যান সেখানকার সরকার এবং রাষ্ট্রপ্রধান এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এবং তার সরকার সব সময় সে দেশের উন্নয়নে বাংলাদেশী শ্রমিকদের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমার দেশের মানুষ আমার কাছে অনেক সম্মানের এবং বাইরে গিয়ে যেন তারা অসম্মানে না পড়েন, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, চলমান মুজিববর্ষে এবারের আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের জন্য আমাদের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘মুজিববর্ষের আহ্বান দক্ষ হয়ে বিদেশ যান।’ তিনি বলেন, দক্ষ কর্মী তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণের জন্য বিদ্যমান ৭০টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অচিরেই যুক্ত হবে উপজেলা পর্যায়ে আরও ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এছাড়া, মুজিববর্ষেই উপজেলা পর্যায়ে আরও ১০০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যাতে নিজের এলাকায় বসে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষ কারিগর হিসেবে প্রবাস গমনেচ্ছুরা যেতে পারেন।

নিউইয়র্কে ২০১৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অভিবাসীদের অধিকার সম্পর্কে তার বক্তব্য প্রদানের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘গ্লোবাল কমপ্রাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ সেটা অনুমোদন করে এবং তা বাস্তবায়নেও সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কারণ, যুগ যুগ ধরেই মানুষ এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাচ্ছে। কাজেই সেখানে গিয়ে নিজের কাজটি যেন নিজে করতে পারে।

’৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীলভাবে গড়ে তোলার পরিবর্তে পরিনির্ভরশীল করে তুলেছিল- এমন অভিযোগ করে সেখান থেকে তার সরকার দেশকে মর্যাদাবান করে গড়ে তোলার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তারও উল্লেখযোগ্য দিকগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যখন থেকে সরকারে এসেছি তখন থেকেই প্রচেষ্টা চালিয়েছি যে, আমাদের দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা আত্মমর্যাদাশীল হব, আত্মনির্ভরশীল হব। যে কারণে দেশের বাজেটের প্রায় ৯৭/৯৮ ভাগই নিজেদের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে পারছি। তিনি বলেন, দেশে এক শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তার সরকার গড়ে তুলছে এবং সেখানে বিদেশী বিনিয়োগ আসছে। সেখানেও দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন পড়বে। তাই দেশেও ভবিষ্যতে কাজের অভাব হবে না।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক মন্দা ও কোভিড পরিস্থিতির মধ্যেও ২০২০ সালে রেকর্ড ২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স পাওয়া গেছে এবং সরকার ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে বৈধ চ্যানেলে প্রেরিত রেমিটেন্সের উপর দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা চালু করেছে। আমাদের দেয়া প্রণোদণার ফলে প্রবাসী রেমিটেন্সও আজকে বেড়েছে সেজন্য তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বৈধ ও নিবন্ধিত অভিবাসী মৃত কর্মীর পরিবারকে ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিধানটিও করোনা পরিস্থিতিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমানে করোনাভাইরাসে মৃত্যুবরণকারী নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত নির্বিশেষে সব প্রবাসী কর্মীর পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য ৩ লাখ টাকা প্রদান করা হচ্ছে।

করোনার জন্য বিশ্ব অর্থনীতির স্থবিরতায় অনেক প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফিরতে বাধ্য হওয়ায় তাদের পুনর্বাসনে আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিকাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে যারা ক্ষতিগ্রস্ত অবশ্যই তাদের আমাদের দেখতে হবে। অনেকে আজকে করোনার কারণে কাজ হারাচ্ছেন। তারপরেও আমি বলব যার দেশে ফিরে আসছেন তাদের জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আপনারা আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, এসএমই ফাউন্ডেশন বা অন্যান্য ক্ষেত্রে আমরা যে প্রণোদনা দিচ্ছি সেখান থেকে বা ঋণ নিয়ে নিজেরা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন।

সরকারপ্রধান এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, বিদেশ ফেরত কর্মীদের আর্থিকভাবে পুনর্বাসনের জন্য ৭শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রায়াত্ত বিশেষায়িত ‘প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক’-এর মাধ্যমে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে প্রবাসীরা এই ঋণ নিতে পারবেন। তাই আপনারা হতাশ না হয়ে পূর্ণোদ্যমে নিজেরা নিজের দেশে কাজ করেন।

তিনি বলেন, আমাদের পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল কর্ণফুলী টানেল, পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রসহ বহু মেগা প্রজেক্ট অব্যাহত রয়েছে, যেখানে বহু কর্মী কাজ পেয়েছেন এবং তাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে তাদের আরও নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, বিদেশগামী কর্মীদের জন্য নামমাত্র প্রিমিয়ামে বিশেষ বীমা স্কিম চালু করা হয়েছে এবং যেসব দেশে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী কর্মরত আছেন সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসে পর্যায়ক্রমে শ্রম-উইং চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশে নিজস্ব চ্যান্সেরি ভবন উদ্বোধনসহ বর্তমানে শ্রম উইং-এর সংখ্যা ১৬ থেকে ২৯টি- তে উন্নীত করা হয়েছে।