চরফ্যাশনে কো-ইড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘর ভেঙে নেয়ার অভিযোগ, শিক্ষক শিক্ষার্থীর মানববন্ধন

সময়ের চিত্র রিপোর্ট॥ ভোলার চরফ্যাশনের মধ্য চর আইচা কো-ইড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের ঘরটি রাতের আদারে ভেঙে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার দুপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষাথী, অভিভাবকগন মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মধ্য চর আইচা কো-ইড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক মোঃ জোনায়েদ, রিমা বেগম। কা-অপারেশন ইন ডেভেলপমেন্ট (কো-ইড) এর সমন্বয় কারি পরিচালক মো. রিয়াজ হোসেন অভিযোগ করেন- বিদ্যালয়ের নামে নতুন ভবনের কাজ চলমান থাকায় একটি টিন সেটের ঘরে বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালিত হয়। গত ২৫ আগষ্ট ভোর রাতে বিদ্যালয়য়ে সভাপতি বশির উল্ল্যাহ মিয়া লোকজন নিয়ে বিদ্যালয়ের ঘরটি ভেঙে নিয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের লেখা পড়া বন্ধ হয়ে যায়।

এ প্রসংগে বশির উল্ল্যাহ মিয়ার ছেলে ও পূর্ব চর আইচা আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক বাকের বলেন- আমার পিতা- দাদী কো ইড স্কুলের নামে কোন জমি দেননি। তারা ২০০৬ সালে ৪৬ শতাংশ জমি দান করে পূর্ব চর আইচা আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে। সে নামে আমরা বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছি। আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য স্থানীয় এমপি ভবনের ব্যবস্থা করেন। ভবনের কাজ চলাকালীন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টিনসেটের একটি ঘর করেন। তাদের কাজ সমাপ্ত হওয়ায় তারা ওই ঘর ভেঙে নিয়ে গেছেন। আমরা ওই ঘর ভাঙিনি। কো-ইড ইতিপূর্বে দুটি মামলা করেছে, ওই মামলা খারিজ হয়ে যায়। বর্তমানে তারা আমাদের স্কুলের জাতীয় করতে বাঁধা দিতে। মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

এ প্রসংগে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মামুন ট্রেডার্সের প্রোঃ আলহাজ্জ ইউনুস আল মামুন বলেন- আমাদের কাজ এখনো সমাপ্ত হয়নি। আমরা ঘর ভেঙে নেইনি।

দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন- কো- ইড স্কুল থেকে লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নওরীন হক বলেন- কো-ইড কর্তৃপক্ষ আমাকে কিছু জানায়নি। তবে ওসির কাছ থেকে জানতে পেরে আমি ওসিকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

এই বিভাগের আরো খবর