রেমালের প্রভাব:

চরফ্যাশনের নিম্মাঞ্চল প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে মানুষ

নিজস্ব সংবাদদাতা, চরফ্যাশন: ভোলার চরফ্যাশনে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রোববার দুপুর থেকে থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে চার-পাচঁ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এলাকার লোকজন ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন।

জানা গেছে, জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ঢালচর, চরপাতিলা, চরনিজাম, চরমাদ্রাজ, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর, মুজিবনগর, নজরুল নগর, চরমানিকা, রসুলপুর, এওয়াজপুর ইউনিয়নের নিম্মাঞ্চল এলাকা। এসব এলাকার কেউ কেউ নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারলেও বেশিসংখ্যক মানুষ রয়েছেন পানিবন্দি । অনেকের জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, গবদীপশু, হাস, মুরগি। ডুবে গেছে রাস্তা ঘাট।

স্থানীয়রা জানান,পানিতে রাস্তাঘাট, দোকানপাটসহ মানুষের বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। এতে করে অনেক মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে গ্রাম পুলিশ, ইউপি সদস্য ও স্বেচ্ছা সেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্র পাঠানোর চেষ্টা করছেন। নিম্নাঞ্চলের ঝুকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসার জন্য স্বেচ্ছাসেবকরা মাইকিং করছে। সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় ব্যপক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নওরীন হক বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আপদকালীন সময়ে সার্বিক যোগাযোগ রক্ষায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ১৬৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সে খানে ২ লাখ লোক আশ্রয় নিতে পারবেন। ২১ টি মেডিকেল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রাখা হয়েছে। এছাড়া দুপুরে চর মানিকা ইউনিয়নে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া দেড়শত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর