Home খেলার খবর অভিষেক টেস্টে ১১ উইকেট নিয়ে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জয়বিক্রমা

অভিষেক টেস্টে ১১ উইকেট নিয়ে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জয়বিক্রমা

51
0
SHARE

পাল্লেকেলে টেস্টে আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৯২ রানে ৬ উইকেট নেন বাঁহাতি এ স্পিনার। টেস্ট অভিষেকে এটি ছিল শ্রীলঙ্কার হয়ে এক ইনিংসে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। আজ বাংলাদেশ টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৭ রানে অলআউট হয়ে হেরেছে ২০৯ রানে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ রানে ৫ উইকেট নেন জয়াবিক্রমা।

১৯৫০ সালে গড়া রেকর্ড নতুন করে লিখলেন জয়াবিক্রমা।

১৯৫০ সালে গড়া রেকর্ড নতুন করে লিখলেন জয়াবিক্রমা।
বিজ্ঞাপন

অর্থাৎ জয়াবিক্রমা দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৭৮ রানে ১১ উইকেট নিলেন তিনি। টেস্ট অভিষেকে এক ম্যাচে কোনো বাঁহাতি স্পিনারের এটাই সেরা বোলিং। ১৯৫০ সালে ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে ১০৪ রানে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার আলফ ভ্যালেন্টাইন। এত দিন এটাই ছিল অভিষেক ম্যাচে কোনো বাঁহাতি স্পিনারের সেরা বোলিং। ভ্যালেন্টাইনকে পেছনে ফেলে রেকর্ডটি নতুন করে লেখালেন জয়াবিক্রমা।

শ্রীলঙ্কার প্রথম বোলার হিসেবে টেস্ট অভিষেকে ন্যূনতম ১০ উইকেট নিলেন জয়াবিক্রমা। অর্থাৎ শ্রীলঙ্কার হয়ে টেস্ট অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডও এখন তাঁর দখলে। আর টেস্ট ইতিহাসে ১৬তম বোলার হিসেবে অভিষেক ম্যাচে ন্যূনতম ১০ উইকেট নিলেন ২২ বছর বয়সী এ স্পিনার। জয়াবিক্রমা আরও একটি জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন ৯৮ বছর আগের স্মৃতিতে। ১৯২৩ সালে কেপটাউনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে ১১২ রানে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বাঁহাতি পেসার আলফ্রেড হল। তারপর এই ৯৮ বছরে বাঁহাতি বোলারদের মধ্যে টেস্ট অভিষেকে জয়াবিক্রমাই সবচেয়ে কম রান দিয়ে ন্যূনতম ১০ উইকেট নিলেন।

জয়াবিক্রমা চাপ কাটালেন ১১ উইকেট নিয়েই!

জয়াবিক্রমা চাপ কাটালেন ১১ উইকেট নিয়েই!
ছবি: এএফপি

টেস্ট ক্রিকেটে ১৪৪ বছরের ইতিহাসে জয়াবিক্রমার এই বোলিং ফিগার শীর্ষ দশে থাকবেন। তালিকায় তিনি দশম। বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ইনিংসেই ন্যূনতম ৫টি করে উইকেট নিয়েছেন জয়াবিক্রমা। টেস্ট অভিষেকে সর্বশেষ এমন নজির দেখা গেছে ১৯৮৮ সালে। ভারতের সাবেক স্পিনার নরেন্দ্র হিরওয়ানি চেন্নাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেকে সর্বশেষ দুই ইনিংসেই ন্যূনতম ৫টি করে উইকেট নিয়েছিলেন।

পাল্লেকেলেতে আজ ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে জয়াবিক্রমা বলেন, ‘অভিষেকের আগে একটু চাপে ছিলাম। কিন্তু অধিনায়ক ও সিনিয়ররা সাহায্য করেছেন চাপ কাটিয়ে উঠতে।’ সেটি জয়াবিক্রমার হয়তো নিজের চাপ। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের তিনি কী পরিমাণ চাপে রেখেছিলেন সেটি মুমিনুল-মুশফিকরাই ভালো বলতে পারবেন!