Home এক্সক্লুসিভ রংপুর ও রাজশাহীতে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ফাঁদ পেতেছে প্রতারকচক্র

রংপুর ও রাজশাহীতে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ফাঁদ পেতেছে প্রতারকচক্র

594
0
SHARE
নিউলাইট যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষন কেন্দ্র ও  অনুপ্রেরনা যুব কারীগড়ি নারী উন্নয়ন সংস্থা চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। টার্গেট শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার।
সময়ের চিত্র রিপোর্ট: নিউলাইট যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষন কেন্দ্র ও  অনুপ্রেরনা যুব কারীগড়ি নারী উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দিনাজপুরের মোঃ মোর্শেদুল মোমেন ও নাজনীন আক্তার সুইটি নামের দুই ব্যাক্তি রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ থেকে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ফাঁদ পাতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিউলাইট যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল মোমেন, অনুপ্রেরনা যুব কারীগড়ি নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আক্তার সুইটি  তাদের সংস্থা দুটি বানিজ্য মন্ত্রনালয়ে আরজেএসসি হতে রেজিষ্ট্রেশন  প্রাপ্ত না হয়েও আরজেএসসি হতে রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত দাবি করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকল্পের শিরোনামে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে গ্রামের সহজ সরল সাধারন ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট হতে পোষ্টাল অর্ডার, ফরম গ্রহন বাবদ ফি, অতিরিক্ত কোর্স ফি নামে মোটা অংকের অর্থ গ্রহন করে থাকেন। যে সকল জেলা উপজেলায় প্রশিক্ষক নিয়োগ প্রদান করেন তাদের নিকট হতে এক কালীন ২/৩ লক্ষ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে। এমএলএম সিস্টেমে ৭০ হতে ৮০ কোটি টাকা উত্তোলনের পরিকল্পনা করে মাঠে নেমেছেন। এ যাবৎ ১৫০০ জনের উপরে ভাইভা ও গোপনে চাকুরীর নিয়োগ দিয়েছেন যা সম্পূর্ন অবৈধ।
ইতিপূর্বে আইটি ভিশন নামে প্রতিষ্ঠানে মোর্শেদুল মোমিন পরিচালক পদে থাকা কালীনসময়ে, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রকার অর্থনৈতিক অনিয়ম দুর্নীতির জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এরপর ও দীর্ঘদিন যাবত রংপুর ডিভিশনে প্রতাড়নার মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে অফি স্থাপন করেন এবং সাধারন ছাত্র/ছাত্রীদের নিকট হতে অসৎ উপায়ে অর্থ সংগ্রহ করেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিতরে কথার সাথে কাজের মিল নাই, গঠনতন্ত্রের সাথে ও কাজের কোন মিল নাই, গরীব অসহায় লোকদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বর্তমানে মোর্শেদুল মমিন আরো একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেন এবং প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪টি শর্ট কোর্সের অনুমোদন পান কিন্তু ১০/১২টি ট্রেডে প্রশিক্ষনের বিজ্ঞপ্তি দেন যা সম্পূর্ন বেআইনি। সংস্থার কার্যক্রম জেলা ব্যপি হলেও বেআইনী ভাবে জেলার বাহিরে দুটি বিভাগ জুড়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এলাকাবাসী  তাদের এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করে তাদের প্রতারনার শাস্তি দেয়ার দাবি জানান।