Home অন্যান্য স্বাগতম ২০২১

স্বাগতম ২০২১

220
0
SHARE

মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেল একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকের আরও একটি বছর। বর্ষ পরিক্রমায় যুক্ত হলো আরেকটি পালক। নতুন একটি বর্ষে পদার্পণ করল বিশ্ব। শান্তি, সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনার অপার বারতা নিয়ে শুরু হলো নতুন বছর। স্বাগত খ্রিস্টীয় নববর্ষ ২০২১। পুরনো বছরটি পেছনে ফেলে সম্মুখপানে এগিয়ে যাওয়ার দুরন্ত আহ্বানে মানুষ স্বাগত জানায় আগত ভবিষ্যতকে। বিদায়ী বছরের ব্যর্থতাকে সরিয়ে রেখে নতুন বছরে নতুনভাবে শুরু হলো পথচলা। সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব পেছনে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দিন হলো শুরু। পুরনো বছরের সংশয়, সঙ্কট, উদ্বেগ কাটিয়ে উঠে নতুন ভাবনা নতুন আশায় নতুন করে দিনযাপনের শুরু আজ থেকে। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পূর্ণ করে বাংলাদেশ পা ফেলল ৫০ বর্ষে। নতুন বছর মানে নবযাত্রা। নতুন করে পুরনো সমস্যা মোকাবেলা করে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পালা। খ্রিস্টীয় নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমাদের অগণিত পাঠক, লেখক, এজেন্ট, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। নতুন বছর সবার জীবনে শুভ হয়ে দেখা দেবে, এটাই কাম্য।

নতুন বছরে, নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছে বাংলাদেশ। নতুন স্বপ্ন দেখে শান্তি, স্বস্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধির। বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে, জঙ্গী, সন্ত্রাসবাদ ও মাদক সর্বোপরি ভায়াবহ হন্তারক ব্যাধি করোনা মুক্ত সমাজ। বিনাশ হবে অগণতান্ত্রিক অপশক্তি, জঙ্গীবাদ, ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা ও অপরাজনীতি। দেশবাসী প্রত্যাশা করে, সম্প্রীতি ও সমঝোতার সংস্কৃতি রচনায় রাজনৈতিক দলগুলো অগ্রসর হবে। নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে সবাই কাজ করবে সম্মিলিতভাবে। ধ্বংসাত্মক রাজনীতি যেন আর মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে সকলেই সজাগ থাকবে। জীবনের নিরাপত্তা, সহনীয় দ্রব্যমূল্য এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও এগিয়ে নিতে সবাই মিলে কাজ শুরু হোক- এটাই নববর্ষের প্রত্যয়।

চলতি বছরেই শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। নানা আয়োজন-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হবে মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০তম বছরটি দেশে ও বিশ্বব্যাপী। সে হিসেবে বছরটির তাৎপর্য গভীর ও সুদূরপ্রসারী। এবার কেবলই সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। জয় হোক বাঙালী জাতির, জয় হোক বাংলাদেশের। কোভিড-১৯ এর টিকা খুব শীঘ্রই দেশে আসার কথা রয়েছে। সরকার চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে কয়েক কোটি মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়ার অঙ্গীকার করেছে। এর জন্য অর্থও বরাদ্দ রাখা হয়েছে আলাদাভাবে। জনবান্ধব সরকারের এই প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে বলেই প্রত্যাশা।